ডিভিডেন্ড পার শেয়ার (DPS) ক্যালকুলেটর

ক্যাশ ডিভিডেন্ডের শতাংশ বা মোট ডিভিডেন্ড থেকে প্রতি শেয়ারে কত টাকা পাবেন দেখুন।

তথ্য দিন

%
৳
টি
%
টি
প্রতি শেয়ারে ডিভিডেন্ড (DPS)
৳ ০
ফেস ভ্যালুর শতাংশে
পে-আউট রেশিও
আপনার ডিভিডেন্ড আয়
কোম্পানির মোট ডিভিডেন্ড

ডিভিডেন্ড কমবেশি হলে আপনার আয়

ডিভিডেন্ডের মাত্রাপ্রতি শেয়ারেআপনার আয়

ডিভিডেন্ড পার শেয়ার (DPS) কী?

ডিভিডেন্ড পার শেয়ার বা DPS হলো কোম্পানি প্রতিটি শেয়ারের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট কত টাকা ডিভিডেন্ড দিচ্ছে তার অঙ্ক। এটি জানলে আপনার শেয়ারে মোট কত আয় হবে এবং শেয়ারের দামের তুলনায় ইয়িল্ড কত তা বের করা যায়। বাংলাদেশে ডিভিডেন্ড অনেক সময় ফেস ভ্যালুর শতাংশে ঘোষণা হয়, আবার কোম্পানির আয় ও পে-আউট নীতিতেও প্রকাশ হয়। তাই তিন ভিন্ন দিক থেকে DPS বের করার সুযোগ এই টুলে আছে।

হিসাবের সূত্র

  1. ফেস ভ্যালুর শতাংশ থেকে: DPS = ফেস ভ্যালু × ডিভিডেন্ড % ÷ ১০০। যেমন ফেস ভ্যালু ৳ ১০ ও ২০% ডিভিডেন্ডে ৳ ২।
  2. মোট ডিভিডেন্ড থেকে: DPS = কোম্পানির মোট ডিভিডেন্ড ÷ মোট শেয়ার সংখ্যা।
  3. EPS ও পে-আউট থেকে: DPS = EPS × পে-আউট রেশিও ÷ ১০০।
  4. আপনার আয় = DPS × আপনার শেয়ারের সংখ্যা।

উদাহরণ

ফেস ভ্যালু ৳ ১০ ও ২০% ক্যাশ ডিভিডেন্ডে DPS ৳ ২। ৫,০০০ শেয়ারে আয় ৳ ১০,০০০। কোম্পানির মোট ডিভিডেন্ড ৳ ৫ কোটি ও মোট শেয়ার ২.৫ কোটি হলেও DPS ৳ ২। আবার EPS ৳ ৫ ও পে-আউট ৪০% হলেও DPS ৳ ২। সংখ্যাগুলো শুধু নমুনা।

কীভাবে ব্যবহার করবেন

  1. আপনার জানা তথ্য অনুযায়ী পদ্ধতি বাছুন।
  2. প্রয়োজনীয় ঘরগুলো পূরণ করুন, যেমন ডিভিডেন্ডের শতাংশ ও ফেস ভ্যালু।
  3. নিজের শেয়ারের সংখ্যা দিলে আপনার মোট ডিভিডেন্ড আয় দেখা যাবে।
  4. শেয়ারের দামের তুলনায় আয় কত শতাংশ তা জানতে ডিভিডেন্ড ইয়িল্ড ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন।

পে-আউট রেশিও কী?

পে-আউট রেশিও দেখায় কোম্পানি তার আয়ের কত অংশ ডিভিডেন্ড হিসেবে দিচ্ছে। ৪০% মানে প্রতি ১০০ টাকা আয়ের ৪০ টাকা ডিভিডেন্ড ও বাকি ৬০ টাকা ব্যবসায় পুনর্বিনিয়োগ। খুব বেশি পে-আউট (প্রায় ১০০% বা তার বেশি) টেকসই না-ও হতে পারে, কারণ কোম্পানি আয়ের চেয়ে বেশি দিলে ভবিষ্যতে তা কমাতে বাধ্য হতে পারে।

সাধারণ ভুল

বাংলাদেশ ও কলকাতা-পশ্চিমবঙ্গের ব্যবহারকারীদের জন্য

বাংলাদেশে ফেস ভ্যালু সাধারণত ৳ ১০ এবং ডিভিডেন্ড ঘোষণা ফেস ভ্যালুর শতাংশে হয়। ভারতে প্রতি শেয়ারে ₹ হিসেবে ঘোষণা হয় এবং ফেস ভ্যালু কোম্পানিভেদে ₹ ১, ₹ ২, ₹ ১০ ইত্যাদি হতে পারে, তাই সরাসরি প্রতি শেয়ারে অঙ্ক জানা থাকলে ফেস ভ্যালু ১০০% ধরে বা মোট ডিভিডেন্ড দিয়ে হিসাব করুন। মুদ্রা ঘরে টাকা, রুপি বা ডলার বেছে নিন।

এই টুলের ফলাফল ধারণা পাওয়ার জন্য, বিনিয়োগ পরামর্শ নয়। শেয়ার ও বিনিয়োগে ঝুঁকি আছে এবং বাস্তব হার, চার্জ ও নিয়ম প্রতিষ্ঠানভেদে আলাদা। সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট ব্রোকার বা বিশেষজ্ঞের সাথে যাচাই করুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

২০% ক্যাশ ডিভিডেন্ডে প্রতি শেয়ারে কত?
ফেস ভ্যালু ৳ ১০ হলে ৳ ২। ফেস ভ্যালু ৳ ১০ না হলে সেই মূল্য ঘরে দিন।
EPS কী?
আর্নিং পার শেয়ার, অর্থাৎ কোম্পানির নিট মুনাফাকে মোট শেয়ার দিয়ে ভাগ করলে প্রতি শেয়ারে যে আয় আসে।
পে-আউট রেশিও কীভাবে বের করব?
DPS কে EPS দিয়ে ভাগ করে ১০০ দিয়ে গুণ করুন। টুলের তৃতীয় পদ্ধতিতে EPS ও পে-আউট থেকে DPS বের করা যায়।
ডিভিডেন্ড কখন পাব?
রেকর্ড ডেটে আপনার শেয়ার থাকতে হয়। ঘোষণা, রেকর্ড ডেট ও বিতরণের সময় কোম্পানির ঘোষণায় দেখুন।
এই ক্যালকুলেটর কি ফ্রি?
হ্যাঁ, সম্পূর্ণ ফ্রি। আপনার দেওয়া তথ্য সার্ভারে পাঠানো বা সংরক্ষণ করা হয় না।