কিভাবে একটি ভালো শেয়ার নির্বাচন করবেন |How to Choose a Good Share - DSE | Biniogkari | No.1 >> বাংলাদেশে প্রথম পুঁজি বাজার সম্পর্কিত ওয়েবসাইট | বিনিয়োগকারী

কিভাবে একটি ভালো শেয়ার নির্বাচন করবেন |How to Choose a Good Share - DSE

Date:October 23, 2019 createবিনিয়োগকারী.কম

dsebd,dhaka stock exchange,stock bangladesh,how to,sharebazar
|How to Choose a Good Share - DSE

পুঁ জি বাজারে বিনিয়োগ করতে অগগ্রহী, তাহলে অবশই এই পোস্টটি আপনার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের পুঁজিবাজার সম্পর্কে নতুন করে বলার কিছু নেই। প্রতিদিনই শেয়ারবাজারে পতন হচ্ছে কেউ কোন সঠিক কারণ দেখাতে পারছেন না। পুরোপুরি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে কর্তৃপক্ষ গুটিয়ে রয়েছে । ফলস্বরূপ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ৪০৪৬ পয়েন্টে নামে এসেছে।


বিনিয়োগকারীরা ক্ষোভ প্রকাশের জন্য মানববন্ধন করছেন । কিন্তু তাতে লাভ কি! আপনি যে অর্থ হারিয়েছেন তা কখনোই পুনরুদ্ধার করতে পারবেন না। এটাই বাংলাদেশ পুঁজিবাজারে মার্কেটের স্ট্রাকচার। শুধু মনে রাখবেন সরকার আপনাকে সান্তনা ছাড়া কিছুই দিবেনা। বাংলাদেশ পুজিবাজারে আপনি যদি লাভ করতে চান তাহলে বিনিয়োগ শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। শুধুমাত্র সঠিক জ্ঞানের অভাবে আমরা হারিয়েছি আমাদের সর্বস্ব ।

"যখন জোয়ার চলে যায় তখনই আপনি বুঝতে পারবেন কে উলঙ্গভাবে সাতার কেটেছিলো। অর্থাৎ যখন ভালো সময় থাকে তখন সবাইকে বিজয়ী মনে হয়। কিন্তু সময় চলে গেলে বোঝা যায় তার পিছনে কী ছিলো" ”
- ওয়ারেন বাফেট

মনে রাখবেন দেশের সরকার কখনো ব্যর্থতার দায়ভার নেবে না। আপনার ব্যর্থতার দায়ভার আপনাকেই বহন করতে হবে। আপনি যদি দেশের সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকেন তাহলে ভুল করছেন । তাই আমি বলব সময় থাকতে নিজেকে শুধরে নিন।

আপনি মার্কেটের স্মার্ট প্লেয়ারদের সাথে কম্পিটিশন করার যোগ্যতা অর্জন করুন। আপনি সাধারণ বিনিয়োগকারী তাই স্মার্ট ইনভেস্টরদের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে মানববন্ধন করছেন। যা খুবই লজ্জাজনক এবং হতাশাজনক !! অন্যদিকে আপনাদের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে স্মার্ট বিনিয়োগকারীরা বিদেশে হলিডে পালন করছে। কখনোই মেনে নেওয়া যায় না। তাই এখনই সময় সতর্ক হোন।

নাটকীয়তার মাত্রা একটু বেড়ে গেল কিন্তু কথাগুলো সত্য। যাই হোক, এই পোস্টের মাধ্যমে আপনি, কীভাবে একটি ভাল প্রতিষ্ঠান শেয়ার নির্বাচন করবেন? তার একটি সম্পূর্ণ নির্দেশিকা দেওয়ার চেষ্টা করবো। আশা করছি বিনিয়োগকারী কম সাথেই থাকবেন ।

একজন সফল বিনিয়োগকারী তার প্রতিটি পদক্ষেপ সম্পর্কে জানেন। তার সিদ্ধান্তটি ভুল অথবা সঠিক যাই হোক না কেন কেবলমাত্র তিনি তার সিদ্ধান্তের জন্য দায়ী।

আপনি কি ধারনা করতে পারেন যে, ওয়ারেন বাফেট ট্রেডিং অথবা বিনিয়োগের মাধ্যমে কত $$$ ডলার লস করেছে। এখন যদি ওয়ারেন বাফেট দোষ দেয় মার্কেটের উপর অথবা কোন প্রকারের ব্রোকারেজ হাউজের ওপর অথবা কোন এ্যাডভাইজারের নোংরা পরামর্শ দেওয়ার জন্য অথবা দেশের সরকারের ওপর।

তাহলে কি এটা মেনে নেওয়া যায়! “কোন ভাবেই না!” এখন আপনি নিজেকে নিজে প্রশ্ন করুন "আমি কি আমার বিধিগুলি (Discipline) অনুসরণ করেছি?"

“যদি আপনাকে জিজ্ঞাসা করতে হয় ,তবে আপনার বাণিজ্য করা উচিত নয়" ”
- একটি প্রাচীন উক্তি

একটু চিন্তা করুন!

শেয়ার নির্বাচন করার আগে কি কি নিয়ম দেখে নেওয়া উচিত?


“সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো, তুমি কি করছ সেটা না জানা”
- ওয়ারেন বাফেট

যাই হোক ,আপনি কোন শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করবেন তা আপনার অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে। আপনি যদি ভাল বিনিয়োগকারী হতে চান তবে আপনাকে অবশ্যই এই বিষয়গুলি জানতে হবে। উদাহরণস্বরূপ:-

  • আপনি কেমন ব্যক্তিত্ব একজন মানুষ?
  • আপনার কী পরিমাণ অর্থ রয়েছে।
  • দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ জন্য আপনার কি ধৈর্য রয়েছে?
  • আপনি কোন ধরণের কৌশল নিয়ে ট্রেড করতে পছন্দ করেন?
  • আপনি কেমন বার্ষিক রিটার্ন চাই?
  • আপনি কি ফুলটাইম অথবা খণ্ড কালীনসময়,অথবা খুব কম সময়েই বিনিয়োগ করতে চান?
  • আপনি কি (2 দিন) ট্রেডিং এবং স্বল্প মেয়াদী ট্রেডিং করা মতো মানসিক চাপ নেয়ার ক্ষমতা আছে?
  • আপনার আর্থিক পরিস্থিতি অনুসারে আপনার ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষমতা কী?
  • আপনি কোন ধরনের ট্রেডিং বই পড়ছেন এবং কোন শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের সবচেয়ে বেশি প্রশংসা করেন এবং কেন?

ব্যক্তিত্বের উপর ভিত্তি করে শেয়ার নির্বাচন করার স্মার্ট কৌশল


ট্রেডিং আপনার ব্যক্তিত্বের উপর নির্ভর করে। মনে করুন, আপনি যদি ২৩-৩৫ বছর বয়সের মধ্যে হয়ে থাকেন। তাহলে, আপনার জন্য ইন্টারডে ট্রেডিং করার জন্য উপযুক্ত। আবার, আপনার বয়স যদি ৪৫-৬০ বছর বয়সের এর মধ্যে থাকলে আপনার জন্য ট্রেডিং প্রযোজ্য হবে না। তখন আপনি আপনার অর্থ কে অন্য কোণ ঊপায়ে বিনিয়োগ করতে হবে। যেমন ধরুন, আপনার মোট ১০০% অর্থের পরিমাণ থেকে ৭০% নিরাপদ এবং সুরক্ষা জন্য অপসারণ করতে হবে ( এফ ডি আর অথবা ব্যাংক) জমা রাখতে হবে। আর ৩০% অর্থ দিয়ে আপনাকে পুঁজিবাজার বিনিয়োগ করতে হবে। যার ফলে শেয়ার বাজারে কোন বড় ধরনের পতন হলেও আপনি তা কাটিয়ে উঠতে পারবেন

এই লিঙ্কটি মাধ্যমে আপনার অর্থ পরিচালনা করার পদ্ধতি বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা করে আছে।

পুঁজি উপর নির্ভর করে কতটা ঝুঁকি নিচ্ছেন ?


"কখনোই সব ডিম এক ঝুড়িতে রাখবেন না"
- ওয়ারেন বাফেট

অনেক নতুন বিনিয়োগকারী আছেন যারা জুয়াড়ি মনোভাব নিয়ে (দেখি না কি হয়!) ভিত্তিতে আসেন দেখার জন্য আসলেই কি শেয়ার মার্কেট মানি মাইন ?। দিন শেষে বিপুল পরিমাণ অর্থ লোকসান দিয়ে পুঁজিবাজার থেকে বেরিয়ে যায়।

আপনার মোট ক্যাপিটাল এর উপর শতকরা কত শতাংশ ঝুঁকি নিচ্ছেন সেই বিষয়ে আপনার স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হবে। উদাহরণ স্বরূপ, আপনার কাছে মোট অর্থের পরিমান এক লাখ টাকা রয়েছে। আপনি শুধুমাত্র একটি শেয়ার পিছনে সম্পূর্ণ অর্থ (এক লক্ষ টাকা) শেয়ার কিনে ফেললেন ,এতে করে আপনি প্রচুর পরিমাণ লোসের সম্মুখীন হতে পারেন।

সেক্টর ফিল্টারিংয়ের মাধ্যমে স্টক নির্বাচন


ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে আপনার পছন্দের একটি সেক্টর(ব্যাংক, সিমেন্ট, প্রযুক্তি , বিদ্যুৎ ও শক্তি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি) নির্বাচন করুন এবং সেখান থেকে শীর্ষ পাঁচটি শেয়ার ফিল্টারিং করুন । তারপরে শীর্ষ পাঁচটি শেয়ার থেকে শীর্ষে একটি শেয়ার ফিল্টারিং করুন। সুতরাং, এভাবে সবনিম্ন্ন তিনটি সেক্টর থেকে তিনটি শেয়ার নির্বাচন করুন। এটি আপনার পোর্টফোলিওটিতে ক্ষতিকে অনেক উপায়ে হ্রাস করবে।

ট্রেডিং ডিসিপ্লিন


“সাধারণ সফল আর অসাধারণ সফলদের মধ্যে পার্থক্য হলো, অসাধারণ সফলদের ‘না’বলার ক্ষমতা অসাধারণ”
- ওয়ারেন বাফেট

আপনার সব সময় একটি ট্রেডিং ডিসিপ্লিন মেনে চলা উচিত। যেমন ধরুন, আপনি কখনোই জেড ক্যাটাগরি অথবা কম দামী শেয়ার কিনবেন না। এছাড়া মনে রাখতে হবে যে, শেয়ার ডাউনট্রেন্ডে চলছে সেখান থেকে আপনি কখনোই প্রফিট অর্জন করতে পারব না। কথায় আছে “ট্রেন্ড আপনার বন্ধু “ অতএব ট্রেন্ড অনুসারে আপনার ট্রেড নির্বাচন করুন।

টেকনিক্যাল এবং ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিসের মাধ্যমে একটি সিস্টেম অথবা ট্রেডিং ডিসিপ্লিন তৈরি করুন । কখন একটি শেয়ারকে আপ ট্রেন্ডে কিভাবে লং (Long )করতে হয় আবার ডাউনট্রেন্ড কিভাবে শট (Short Sell)করতে হয় সহজ কথায় বলতে গেলে কিভাবে একটি শেয়ারকে পজিশনিং সাইজিং করতে হয় তা আপনার ট্রেডিং ডিসিপ্লিনে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত ।

এই লিঙ্কটি মাধ্যমে আপনার অর্থ পরিচালনা করার পদ্ধতি বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা করে আছে।


মৌলিক বিশ্লেষণের ভিত্তিক মাধ্যমে শেয়ার নির্বাচন করার উপায়



ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস মূলত একটি কোম্পানির ব্যালেন্স শীট ,ক্যাশ ফ্ল ,লাভ এবং লোকসান স্টেটমেন্ট, ইত্যাদির মাধ্যমে একটি কোম্পানি ভালো না খারাপ সেই বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ ধারণা পাওয়া যায় ।

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের সাধারণ বিনিয়োগকারীরা মৌলভিত্তিক বিশ্লেষণ করে কতটুকু উপকৃত হয়েছে সেটা নিয়ে তর্কের সীমা নেই। বিভিন্ন ধরনের ভুলের জর্জরিত আমাদের দেশের পুজিবাজার। যাই হোক আমি বলব মৌলভিত্তিক ডেটা এনালাইসিস ছাড়াও চার্ট এনালাইসিসের নজর একটু বেশি হবে।



পি/ই অনুপাত (Price to Earnings Ratio)



পিই রেশিও দেখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিনের প্রাপ্ত পিই রেশিও ১৫-২০ কম হলে ভালো হয় ।

এই লিঙ্কটি মাধ্যমে জানতে পারবেন |পি / ই অনুপাত কি?| বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা আছে।


শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (NAV)



শেয়ারের প্রতি সম্পদ মূল্য অবশ্যই (NAV) অবশই দেখবেন। নেভের সাথে ক্লোজিং প্রাইস একটা সামঞ্জস্য পূর্ণ থাকা উচিত যাতে শেয়ারটি ভাল বা খারাপ কিনা তা বোঝা যায়।

ইপিএস (Earnings per Share)



মনে রাখবেন যে কোনও শেয়ারের ইপিএস যত বেশি হবে, আমাদের জন্য ততই মঙ্গল।

বস/ক্লোসে প্রাইস লোয়ার/উপপের লিমিট (Base/Close Price Lower/Upper Limit)



সর্বমোট আউটস্ট্যান্ডিং শেয়ার (Total Outstandig Share)



সর্বমোট আউটস্ট্যান্ডিং শেয়ার কত গুলো আছে সেগুলো দেখতে হবে। শেয়ারের সংখ্যা কম হলে দাম উঠে যায় এবং বেশি থাকলে তবে দাম কমে যায়।

রিটার্ন ও ইকুইটি/এস্সেটস (Return On Equity/Assets)



দীর্ঘ মেয়াদি ঋণ ( Long Term Loan)



দীর্ঘ মেয়াদি ঋণ এক নজরে দেখে নেয়া ভালো যার ফলে সেই সেক্টর সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা পাওয়া যায়।

অথোরাইজড / বাজার মূলধন/পেইড আপ ক্যাপিটাল (Market Cap/Paid-Up-Cap)



অথোরাইজড ক্যাপিটাল এবং পেইড আপ ক্যাপিটাল রেশিও যত কাছাকাছি থাকবে রাইট শেয়ার ইস্যু করা তত কঠিন হবে।

ডাটা রেকর্ড দেখুন



গত ১০ বছরের ডাটা রেকর্ড দেখুন। কে কখন কী পরিমাণ ডিভিডেন্ড অথবা লাভ অংশ দেয় তা দেখুন। বার্ষিক গড় মূল্য দেখুন। এই দামের কাছাকাছি শেয়ার কিনতে চেষ্টা করুন।

লভ্যাংশ প্রদানের অনুপাত (Dividend Payout Ratio)


গত ১০ বছরের ডাটা রেকর্ড দেখুন। কে কখন কী পরিমাণ ডিভিডেন্ড অথবা লাভ অংশ দেয় তা দেখুন। বার্ষিক গড় মূল্য দেখুন। এই দামের কাছাকাছি শেয়ার কিনতে চেষ্টা করুন।

টার্নওভার/রেভিনিউ (Turnover/Revenue)



একটি শেয়ারের টার্নওভার/রেভিনিউ (Turnover/Revenue) খুবই গুরুত্বপূর্ণ । যেই শেয়ারটি আপনি কিনতে ইচ্ছুক সেই সেক্টরের (ব্যাংক, ফাইনান্সিয়া্‌ল, বিদ্যুৎ শক্তি ইত্যাদি) সবগুলো শেয়ারের ট্রান ওভার উপর ভিত্তি করে সেই শেয়ারটি বাছাই করুন । ভবিষ্যতে সেই শেয়ারটির দাম বেড়ে যেতে পারে।

প্রতিষ্টান/পরিচালকদের সম্পর্কে (About Company)



"ক্ষমতাসীনদের দুর্নীতির প্রতি ঝোঁক থাকে। সীমাহীন ক্ষমতা সীমাহীন দুর্নীতির কারণ"
- জন ডালবার্গ-এক্টন

আপনি যে কোম্পানির শেয়ার কিনবেন বলে ভাবছেন সেই কোম্পানি পরিচালকের শতকরা কত পরিমান শেয়ার আছে তা চুলচেরা বিশ্লেষণ করুন। তাদের সামাজিক/রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে সব বিষয়ে নজর রাখুন। এছাড়া কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের কতটুকু স্বার্থ রক্ষা করছে সে বিষয়ে অবহিত থাকতে হবে।

কোনও সংস্থা ব্যবসা কতটা ভাল করে তা নির্ভর করে ব্যবসায়ের উদ্যোক্তা দূরদৃষ্টি, দক্ষতা এবং আন্তরিকতার উপর।

রিজার্ভ/সারপ্লাস (Reserv/Surplus)



আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ ট্রামস সমুহ


  • মোট টার্নওভার (Total Turnover)

  • মোট লাভ (Net Profit)

  • নিট আয়( Net income)

  • রিটার্ন এবং ইক্যুইটি(Cash Flow)

  • নগদ প্রবাহ (Cash Flow)

  • বিটা(Beta)

  • চলতি সম্পদ(Return on Equity)

  • বর্তমান দায় (Current Liability)

  • মোট ইক্যুইটি ( Total Equity)

  • মোট দায়বদ্ধতা (Total Liability )

  • ইন্টারেস্ট পেইড (Interest Paid)

  • গত বছর নগদ প্রবাহ অপারেশন (Cash Flow Operation Last Year )



মনে রাখতে হবে, বিক্রির সময় নয়, বরং কেনার সময়ই লাভের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

শেষ কথা


"আপনার পা পানিতে ডুবিয়ে কখনোই নদীর গভীরতা মাপবেন না"
- ওয়ারেন বাফেট

ধারণা করা হচ্ছে, ২০১৯ শেষের দিকে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৭.৮ শতাংশ । তবুও, বাংলাদেশের শেয়ার বাজার এখনও। একটি নবজাতক পর্যায়ে রয়েছে। আমরা যদি ভারতকে একটু নজর দেই তবে বুঝতে পারি যে আমরা কোথায় আছি।

মনে রাখবেন, শেয়ারবাজারে কোনও অভিভাবক নেই । কখনো অন্যের কথায় প্রভাবিত হয়ে শেয়ার মার্কেটে ঝাঁপ দিবেন না।


আমি যতটুক জানি ততটুকু শেয়ার করার চেষ্টা করলাম আশা করছি আপনাদের ভালো লেগেছে। ( বিনিয়োগকারী.কম) শেয়ার মার্কেট সম্পর্কে গণসচেতনতা মুলক পোস্ট করার চেষ্টা করছে। শুধুমাত্র নতুন বিনিয়োগকারীদের জন্য। যারা শেয়ার ( Share Market) মার্কেটে জুয়াড়ি মনোভাব নিয়ে বিশ্লেষণ করেন তাদের থেকে যত দূরে থাকবেন ততোই ভালো। একটি কথা সবসময় মনে রাখবেন "অর্থ আপনার সিদ্ধান্ত ও আপনার"

এক নজরে দেখে নিন


প্রশ্নসমূহ হ্যাঁ না
আমি টেকনিক্যাল এবং ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস বুঝি না আমার কি ক্যাপিটাল মার্কেট এ ইনভেস্ট করা উচিত ? highlight_off done
ব্রোকারেজ হাউজে কর্মরত কোন বড় ভাই অথবা অফিশিয়াল ট্টডার অথবা টেলিভিশন অথবা সোশ্যাল মিডিয়া কোথায় কোন স্টকে ইনভেস্ট করা উচিত ? highlight_off done
আমি নতুন পুঁজি বাজারে এসেছি আমার কি ডে ট্রেডিং(২ দিন )করা উচিত ? highlight_off done
শেয়ারের দাম কমে গেলে আমার কি স্টপ লস ব্যবহার করা উচিত ? done highlight_off
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ডিএসপি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমরা কি সব ধরনের স্টক সম্পর্কে ধারণা পাব ? done highlight_off


গুগল প্লে স্টোর থেকে শেয়ার বাজার সম্পর্কে সেরা বিনিয়োগকারী.কম মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন:

বিনিয়োগকারী .কম বাংলাদেশে সর্বপ্রথম পুজিবাজার সম্পর্কিত একটি পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট - আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন!বিনিয়োগকারী.কম এখন ইউটিউবে!নিয়মিত ক্যাপিটাল মার্কেট বিষয়ক ভিডিওগুলো পেতে Biniogkari ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন !এই লিঙ্কে চলে যান : Biniogkari সাবস্ক্রাইব বাটনটি হিট করুন











No comments:

Post a Comment

আমরা প্রশংসনীয় মূল্যবান মন্তব্য। দয়া করে স্প্যাম করবেন না