রানওয়ে বলে বর্তমান নগদে আপনার স্টার্টআপ আর কত মাস চলবে, আয় বা নতুন তহবিল ছাড়া। এটি ফান্ডরেইজিংয়ের সময় ঠিক করার সবচেয়ে জরুরি সংখ্যা। বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী ও উপদেষ্টা পরামর্শ দেন যেন অন্তত ১২-১৮ মাসের রানওয়ে থাকে, কারণ তহবিল তুলতে সাধারণত কয়েক মাস লাগে।
- মাসিক নিট বার্ন = মাসিক খরচ − মাসিক আয়
- সরল রানওয়ে = নগদ ÷ নিট বার্ন (আয় ও খরচ স্থির হলে)
- এই টুলে আয় ও খরচ প্রতি মাসে নিজ নিজ হারে বাড়ে ধরে মাস ধরে হিসাব চলে
- বাড়তি তহবিল = লক্ষ্য মেয়াদে নগদ যত নিচে নামে তার সর্বোচ্চ ঘাটতি
হাতে ৫০,০০,০০০ টাকা, মাসিক খরচ ৪,০০,০০০, আয় ১,০০,০০০, আয় প্রতি মাসে ৮% ও খরচ ২% বাড়ে। প্রথম মাসের নিট বার্ন ৩,০০,০০০ টাকা। সরল হিসাবে ৫০ লাখ ÷ ৩ লাখ ≈ ১৬.৭ মাস, কিন্তু আয় বাড়ছে বলে নগদ চলে ১৯ মাস। আয় খরচ ছাড়ায় ২৬তম মাসে, যা নগদ শেষ হওয়ার পরে। ২৪ মাস চালাতে আরও প্রায় ৪,৯২,২৬৯ টাকা লাগে এবং ব্রেক-ইভেন পর্যন্ত মোট ঘাটতি প্রায় ৫,০১,৫২৬ টাকা।
- হাতে নগদ, মাসিক খরচ ও মাসিক আয় দিন।
- আয় ও খরচ মাসে কত শতাংশ বাড়ছে তা দিন। অনিশ্চিত হলে কম ধরুন।
- কত মাসের রানওয়ে নিশ্চিত করতে চান তা দিন, যেমন ১৮ বা ২৪।
- ডানে রানওয়ে, ব্রেক-ইভেনের মাস ও দরকারি তহবিল এবং নিচে মাসভিত্তিক টেবিল দেখুন।
- অপ্রয়োজনীয় খরচ, বিশেষ করে বিপণন ও বেতন বাড়ানো, পিছিয়ে দিন।
- আয় বাড়ান বা অগ্রিম নিন, যেমন বার্ষিক সাবস্ক্রিপশনে ছাড় দিয়ে নগদ আগাম নেওয়া।
- তহবিল তোলার প্রক্রিয়া রানওয়ে ৬ মাসের নিচে নামার অনেক আগে শুরু করুন।
- ঋণ বা অনুদানের মতো বিকল্প তহবিলের ব্যবস্থা রাখুন।
এখানে আয় ও খরচ নির্দিষ্ট হারে বাড়ে ধরা হয়েছে। বাস্তবে আয় ওঠানামা করে এবং বড় খরচ একবারে আসে। বাকিতে আদায় ও কর ধরা নেই। তিনটি অনুমানে (ভালো, মাঝারি, খারাপ) হিসাব করে দেখুন।
এই টুলের ফল ধারণা পাওয়ার জন্য, আইনি বা আর্থিক পরামর্শ নয়। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও কর দাখিলের আগে যোগ্য উপদেষ্টা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যাচাই করুন।