চক্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি রিটার্ন আসে শেষের বছরগুলোতে, কারণ তখন জমা অঙ্কটাই সবচেয়ে বড়। শুরুর বছরগুলো বাদ গেলে ঠিক সেই বছরগুলোই বাদ যায় যেগুলো অন্য সব বছরের রিটার্নের ভিত্তি তৈরি করে। তাই কয়েক বছরের দেরির খরচ কয়েক বছরের কিস্তির সমান নয়, তার চেয়ে অনেক বেশি।
দুটি পরিস্থিতি তুলনা করা হয়: এখনই শুরু করে পুরো মেয়াদ বিনিয়োগ এবং কিছু বছর পরে শুরু করে একই শেষ তারিখ পর্যন্ত বিনিয়োগ। দুই ক্ষেত্রেই একই মাসিক SIP ও একই রিটার্ন ধরা হয়। ঘাটতি মেটাতে দরকারি SIP বের হয় দেরিতে শুরুর মেয়াদে সমান শেষ মূল্য পাওয়ার জন্য।
মাসিক ১০,০০০ টাকা, বার্ষিক ১২% রিটার্ন, লক্ষ্যমেয়াদ ২০ বছর। এখনই শুরু করলে শেষ মূল্য প্রায় ৯৯,৯১,৪৭৯ টাকা। ৫ বছর দেরিতে শুরু করলে প্রায় ৫০,৪৫,৭৬০ টাকা, অর্থাৎ প্রায় ৪৯,৪৫,৭১৯ টাকা কম। এই ৫ বছরে আপনি মাত্র ৬,০০,০০০ টাকা কম বিনিয়োগ করেছেন, কিন্তু ফল কমেছে প্রায় অর্ধেক। ঘাটতি মেটাতে দেরিতে শুরু করে মাসিক SIP প্রায় ১৯,৮০২ টাকা করতে হবে।
- মুদ্রা, মাসিক SIP ও প্রত্যাশিত রিটার্ন দিন।
- এখন থেকে মোট কত বছরের লক্ষ্য তা দিন, যেমন অবসর বা সন্তানের উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত।
- কত বছর দেরি হতে পারে তা বসান।
- ডানে হারানো অঙ্ক এবং নিচের টেবিলে বিভিন্ন দেরির তুলনা দেখুন।
- আজ থেকেই শুরু করুন। প্রতিটি অতিরিক্ত বছরের খরচ আছে, তাই আজ শুরু করা সবচেয়ে সস্তা।
- ঘাটতি মেটাতে SIP বাড়ান বা প্রতি বছর স্টেপ-আপ করুন।
- সম্ভব হলে মেয়াদ বাড়ান। কাজের বয়স দুই-তিন বছর বাড়ালেও ঘাটতি অনেক কমে।
- বাড়তি আয় বা বোনাস এককালীন বিনিয়োগ করুন।
শেয়ারবাজার ও মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগে ঝুঁকি আছে। এই টুলের ফল ধারণা পাওয়ার জন্য, বিনিয়োগ পরামর্শ নয়। সিদ্ধান্তের আগে কোম্পানির ঘোষণা, ব্রোকার বা যোগ্য উপদেষ্টার সঙ্গে যাচাই করুন।