ভারতে ব্যক্তিগত করদাতারা এখন দুটি ব্যবস্থা থেকে বেছে নিতে পারেন। নতুন ব্যবস্থাটিই ডিফল্ট। এতে কর হার কম ও ধাপ বেশি, কিন্তু বেশিরভাগ ছাড় নেই। পুরোনো ব্যবস্থায় হার বেশি, কিন্তু ৮০সি, ৮০ডি, এইচআরএ ও হোম লোনের সুদের মতো ছাড় পাওয়া যায়। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেটে স্ল্যাব, স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন ও রিবেট বদলায়নি।
- ৪ লাখ পর্যন্ত: কর নেই
- ৪ থেকে ৮ লাখ: ৫%
- ৮ থেকে ১২ লাখ: ১০%
- ১২ থেকে ১৬ লাখ: ১৫%
- ১৬ থেকে ২০ লাখ: ২০%
- ২০ থেকে ২৪ লাখ: ২৫%
- ২৪ লাখের বেশি: ৩০%
বেতনভোগীদের স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন ৭৫,০০০ টাকা। করযোগ্য আয় ১২ লাখ পর্যন্ত হলে ৮৭এ ধারায় সর্বোচ্চ ৬০,০০০ টাকা রিবেট মেলে, তাই কর শূন্য। ফলে বেতনভোগী ব্যক্তির ১২.৭৫ লাখ পর্যন্ত বেতনে কর লাগে না। ১২ লাখ ছাড়ালে মার্জিনাল রিলিফ আছে, যাতে বাড়তি করের অঙ্ক ১২ লাখের ওপরের আয়ের বেশি না হয়।
- ২.৫ লাখ পর্যন্ত: কর নেই (৬০ থেকে ৭৯ বছরে ৩ লাখ, ৮০-এর বেশি হলে ৫ লাখ)
- ২.৫ থেকে ৫ লাখ: ৫%
- ৫ থেকে ১০ লাখ: ২০%
- ১০ লাখের বেশি: ৩০%
স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন ৫০,০০০ টাকা। করযোগ্য আয় ৫ লাখ পর্যন্ত হলে সর্বোচ্চ ১২,৫০০ টাকা রিবেটে কর শূন্য। দুই ব্যবস্থাতেই করের ওপর ৪% স্বাস্থ্য ও শিক্ষা সেস লাগে। আয় ৫০ লাখ ছাড়ালে সারচার্জ যোগ হয়।
বার্ষিক বেতন ১৫ লাখ হলে নতুন ব্যবস্থায় স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশনের পর করযোগ্য আয় ১৪.২৫ লাখ। কর হয় ২০,০০০ + ৪০,০০০ + ৩৩,৭৫০ = ৯৩,৭৫০ টাকা, সেসসহ ৯৭,৫০০ টাকা।
সাধারণত যাঁদের ছাড়ের অঙ্ক কম, তাঁদের নতুন ব্যবস্থা সস্তা পড়ে। যাঁদের হোম লোন, এইচআরএ ও ৮০সি-র বড় ছাড় আছে, তাঁদের পুরোনো ব্যবস্থা লাভজনক হতে পারে। এই টুলে দুটোই পাশাপাশি দেখে নিন।
- বার্ষিক গ্রস বেতন ও অন্য আয় লিখুন।
- পুরোনো ব্যবস্থা তুলনা করতে অ্যাডভান্সড সেটিংসে নিজের ছাড়গুলো দিন।
- ডানে দুই ব্যবস্থার কর, কোনটি সস্তা এবং মাসিক হাতে কত থাকবে দেখুন।
- পুঁজিলাভ বা বিশেষ হারে করযোগ্য আয়।
- নিয়োগকর্তার এনপিএস অংশ (৮০সিসিডি(২))।
- সারচার্জের মার্জিনাল রিলিফ ও টিডিএসের সমন্বয়।
- অনাবাসীদের জন্য ভিন্ন নিয়ম, ৮৭এ রিবেট শুধু আবাসিক করদাতাদের জন্য। এই হিসাব আবাসিক ব্যক্তি ধরে করা।
এই টুলের ফলাফল ধারণা পাওয়ার জন্য। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা যোগ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যাচাই করুন।