রাইট শেয়ারে কোম্পানি বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের নির্দিষ্ট অনুপাতে নতুন শেয়ার কেনার অধিকার দেয়, সাধারণত বাজার দামের চেয়ে কম মূল্যে। বাংলাদেশে অনুপাত লেখা হয় যেমন ১আর:২ (প্রতি ২টি শেয়ারে ১টি রাইট শেয়ার)। এর মাধ্যমে কোম্পানি নতুন মূলধন তোলে।
- রাইট শেয়ারের অধিকার = আপনার শেয়ার × রাইট সংখ্যা ÷ প্রতি কয়টিতে
- সাবস্ক্রিপশন খরচ = নেওয়া রাইট শেয়ার × অফার মূল্য
- তাত্ত্বিক দাম (TERP) = (প্রতি কয়টিতে × বাজার দাম + রাইট সংখ্যা × অফার মূল্য) ÷ (প্রতি কয়টিতে + রাইট সংখ্যা)
- নতুন গড় ক্রয়মূল্য = (আগের মোট খরচ + সাবস্ক্রিপশন খরচ) ÷ নতুন মোট শেয়ার
১,০০০টি শেয়ার, প্রতি ২টিতে ১টি রাইট, অফার মূল্য ২০ টাকা, বাজার দাম ৩০ টাকা। অধিকার ৫০০টি, খরচ ১০,০০০ টাকা, মোট শেয়ার ১,৫০০টি। TERP = (২ × ৩০ + ১ × ২০) ÷ ৩ = প্রায় ২৬.৬৭ টাকা। রাইটের পর মোট মূল্য ১,৫০০ × ২৬.৬৭ = ৪০,০০০ টাকা, যা আগের ৩০,০০০ ও নতুন ১০,০০০ টাকার যোগফল।
নতুন শেয়ার বাড়ায় বিদ্যমান শেয়ারের দাম তাত্ত্বিকভাবে TERP-তে নেমে আসে। রাইট না নিলে আপনার শেয়ার সংখ্যা বাড়ে না, কিন্তু দামের এই পতন থেকে যায়। ওপরের উদাহরণে ১,০০০ শেয়ারের মূল্য প্রায় ৩,৩৩৩ টাকা কমে। কোম্পানিতে আপনার মালিকানার শতাংশও কমে।
- আপনার শেয়ারের সংখ্যা দিন।
- রাইটের অনুপাত বসান: প্রতি কয়টিতে কয়টি।
- অফার মূল্য ও রাইটের আগের বাজার দাম দিন।
- গড় ক্রয়মূল্য দিলে নতুন গড় ক্রয়মূল্যও পাবেন। ডানে খরচ ও TERP দেখুন।
- কোম্পানির আর্থিক অবস্থা ও রাইটের টাকা কীভাবে ব্যবহার হবে।
- সাবস্ক্রিপশনের শেষ তারিখ ও পদ্ধতি। দেরি করলে অধিকার বাতিল হয়।
- রাইট শেয়ার বিক্রি বা ছেড়ে দেওয়ার (রিনাউন্স) নিয়ম বিএসইসি ও কোম্পানির ঘোষণা অনুযায়ী।
- রেকর্ড তারিখের পর বাজারে দাম সমন্বয় হয়। এই টুলের TERP একটি তাত্ত্বিক হিসাব, প্রকৃত বাজারদর আলাদা হতে পারে।
শেয়ারবাজার ও মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগে ঝুঁকি আছে। এই টুলের ফল ধারণা পাওয়ার জন্য, বিনিয়োগ পরামর্শ নয়। সিদ্ধান্তের আগে কোম্পানির ঘোষণা, ব্রোকার বা যোগ্য উপদেষ্টার সঙ্গে যাচাই করুন।