রিঅর্ডার পয়েন্ট কী?
রিঅর্ডার পয়েন্ট হলো সেই স্টক-স্তর, যেখানে পৌঁছালে নতুন অর্ডার দিতে হয়। এর আগে অর্ডার দিলে টাকা অযথা আটকে থাকে, দেরিতে দিলে সরবরাহ আসার আগেই তাক খালি হয়ে বিক্রি হারাতে হয়।
হিসাবের সূত্র
রিঅর্ডার পয়েন্ট = (গড় দৈনিক বিক্রি × লিড টাইম) + সেফটি স্টক
উদাহরণ
দৈনিক গড় বিক্রি ২০ ইউনিট ও লিড টাইম ৭ দিন হলে লিড টাইমে বিক্রি হয় ১৪০ ইউনিট। সর্বোচ্চ বিক্রি ৩০ ও সর্বোচ্চ লিড টাইম ১০ দিন ধরলে সেফটি স্টক = (৩০ × ১০) − ১৪০ = ১৬০। অতএব রিঅর্ডার পয়েন্ট ৩০০ ইউনিট। হাতে ২৬০ থাকলে আজই অর্ডার দিতে হবে।
সেফটি স্টকের তিন পদ্ধতি
- সর্বোচ্চ / গড়: (সর্বোচ্চ বিক্রি × সর্বোচ্চ লিড টাইম) − (গড় বিক্রি × গড় লিড টাইম)। সবচেয়ে নিরাপদ, কিন্তু বেশি স্টক আটকায়।
- সার্ভিস লেভেল: Z × বিক্রির ওঠানামা × √লিড টাইম। ঝুঁকির মাত্রা নিজে ঠিক করা যায়।
- বাড়তি দিন: কয়েক দিনের বিক্রির সমান বাড়তি রাখা। নতুন ব্যবসায় সহজ।
সেরা অর্ডার সাইজ (EOQ)
EOQ = √(২ × বার্ষিক চাহিদা × প্রতিবার অর্ডার খরচ ÷ বছরে প্রতি ইউনিট স্টক রাখার খরচ)। ছোট ছোট অর্ডারে অর্ডারের খরচ বাড়ে, বড় অর্ডারে স্টক রাখার খরচ। EOQ-তে দুটো সমান হয় এবং মোট খরচ সর্বনিম্ন থাকে।
স্টক হেলথ চেক
হাতের স্টক কত দিন চলবে তা সরবরাহের সময় ও সর্বোচ্চ রাখার সীমার সাথে মিলিয়ে দেখুন। কম হলে স্টক-আউটের ঝুঁকি, বেশি হলে বাড়তি স্টকে টাকা আটকে আছে।
ব্যবহারের টিপস
- গত ৩ থেকে ৬ মাসের বাস্তব বিক্রির গড় নিন।
- ঈদ, পূজা বা মৌসুমে বিক্রি বাড়লে সেই সময়ের জন্য আলাদা হিসাব করুন।
- সরবরাহকারীর ন্যূনতম অর্ডার (MOQ) থাকলে অর্ডার পরিমাণ সেই অনুযায়ী মিলিয়ে নিন।
এই টুলের ফলাফল ধারণা পাওয়ার জন্য। নিজের ব্যবসার বাস্তব তথ্য দিয়ে যাচাই করুন।