কর্মচারী ভবিষ্যনিধি (ইপিএফ) একটি বাধ্যতামূলক অবসর সঞ্চয়। কর্মচারী ও নিয়োগকর্তা প্রতি মাসে মূল বেতন ও মহার্ঘ ভাতার একটি শতাংশ জমা করেন। ইপিএফও প্রতি বছর এই জমার ওপর সুদ ঘোষণা করে।
- কর্মচারীর অংশ: মূল বেতন + ডিএ-র ১২%।
- নিয়োগকর্তার অংশ: একইভাবে ১২%। এর মধ্যে ৮.৩৩% কর্মচারী পেনশন প্রকল্পে (ইপিএস) যায়, যা ১৫,০০০ টাকার সিলিংয়ে সর্বোচ্চ মাসে ১,২৫০ টাকা। বাকি অংশ, প্রায় ৩.৬৭%, ইপিএফ-এ জমা হয়।
কেউ চাইলে ভিপিএফ হিসেবে স্বেচ্ছায় বেশি জমা দিতে পারেন। এই টুলে ভিপিএফও ধরা যায়।
২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের জন্য ইপিএফ-এর সুদের হার ৮.২৫%, যা টানা তৃতীয় বছর অপরিবর্তিত। হার প্রতি বছর বদলাতে পারে, তাই ভবিষ্যতের জন্য ঘরে নিজের অনুমান বসাতে পারেন। এই টুলে সুদ প্রতি মাসের জমা ব্যালান্সের ওপর ধরে বছর শেষে ব্যালান্সে যোগ হয় ধরা হয়েছে। প্রকৃত হিসাবে সামান্য ফারাক হতে পারে।
মূল বেতন ৩০,০০০ টাকা হলে আপনার ১২% জমা ৩,৬০০ টাকা। নিয়োগকর্তার ১২% সমান ৩,৬০০ টাকা, তার মধ্যে ১,২৫০ টাকা পেনশনে যায় এবং ২,৩৫০ টাকা ইপিএফ-এ জমা হয়। মোট মাসিক ইপিএফ জমা ৫,৯৫০ টাকা।
- মাসিক মূল বেতন ও ডিএ লিখুন।
- চাকরির বাকি বছর, বছরে সম্ভাব্য বেতন বৃদ্ধি ও সুদের হার দিন।
- এখনকার পিএফ ব্যালান্স থাকলে "এখন পর্যন্ত জমা"-তে বসান।
- ডানে মোট পিএফ এবং নিচে বছরভিত্তিক হিসাব দেখুন।
পাঁচ বছর টানা চাকরির পর ইপিএফ তুললে সাধারণত কর লাগে না। কর্মচারীর অংশে বছরে ২.৫ লাখ টাকার বেশি জমা দিলে ওপরের অংশের সুদ করযোগ্য হতে পারে। নিয়মগুলো সরকার বদলাতে পারে, তাই কর পরামর্শকের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
এই টুলের ফলাফল ধারণা পাওয়ার জন্য। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা যোগ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যাচাই করুন।