পরীক্ষার নম্বর ক্যালকুলেটর কী?
এই টুলে আপনি প্রতিটি বিষয়ের প্রাপ্ত নম্বর ও পূর্ণমান দিলে মোট নম্বর, গড়, সার্বিক শতকরা হার, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন নম্বরের বিষয় এবং গ্রেড দেখতে পাবেন। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস টেস্ট বা টার্ম পরীক্ষার ফল যাচাইয়ে এটি কাজে লাগে।
হিসাবের সূত্র
- শতকরা হার: (মোট প্রাপ্ত নম্বর ÷ মোট পূর্ণমান) × ১০০
- গড় নম্বর: মোট প্রাপ্ত নম্বর ÷ বিষয়ের সংখ্যা
- ফাইনালে প্রয়োজনীয় নম্বর: (টার্গেট % ÷ ১০০ × (এখনকার মোট পূর্ণমান + ফাইনালের পূর্ণমান)) − এখন পর্যন্ত পাওয়া নম্বর
উদাহরণ
বাংলা ৭৮, ইংরেজি ৬৫, গণিত ৮২, বিজ্ঞান ৭১ ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ৭৫ নম্বর পেলে মোট ৩৭১ / ৫০০, অর্থাৎ ৭৪.২%, যা A গ্রেড। এরপর ১০০ নম্বরের ফাইনালে ৭০% টার্গেট পেতে হলে লাগবে (০.৭ × ৬০০) − ৩৭১ = ৪৯ নম্বর।
কীভাবে ব্যবহার করবেন
- প্রতিটি সারিতে বিষয়ের নাম, প্রাপ্ত নম্বর ও পূর্ণমান লিখুন।
- বিষয় বেশি হলে "নতুন বিষয় যোগ করুন" বাটনে ক্লিক করুন, আর অপ্রয়োজনীয় সারি ডাস্টবিন আইকন দিয়ে মুছুন।
- ফলাফলে সার্বিক শতকরা হার ও গ্রেড দেখুন।
- ফাইনালের টার্গেট জানতে টার্গেট শতাংশ ও ফাইনালের পূর্ণমান দিন।
গ্রেড ও জিপিএ
এসএসসি ও এইচএসসি স্কেলে ৮০ থেকে ১০০ নম্বরে A+ (৫.০০), ৭০ থেকে ৭৯ এ A (৪.০০), ৬০ থেকে ৬৯ এ A- (৩.৫০), ৫০ থেকে ৫৯ এ B (৩.০০), ৪০ থেকে ৪৯ এ C (২.০০) এবং ৩৩ থেকে ৩৯ এ D (১.০০) ধরা হয়। ৩৩-এর নিচে F বা ফেল। এই টুলের জিপিএ বিষয়ভিত্তিক পয়েন্টের গড়, তাই এটি আনুমানিক।
দ্রুত টিপস
- বিষয়ের পূর্ণমান ১০০ না হলে সেই বিষয়ের মোট নম্বর পূর্ণমানের ঘরে লিখুন।
- শুধু ফলাফল দেখতে চাইলে নাম ফাঁকা রাখা যায়, টুল নিজে "বিষয় ১, ২..." ধরে নেবে।
- কম নম্বরের বিষয়ে আগে মনোযোগ দিলে সার্বিক শতকরা সবচেয়ে দ্রুত বাড়ে।
- ফাইনালের টার্গেট বাস্তবসম্মত কি না তা আগে টুলে দেখে নিন।
বাংলাদেশ ও কলকাতা-পশ্চিমবঙ্গের ব্যবহারকারীদের জন্য
গ্রেড সারণি বাংলাদেশের এসএসসি/এইচএসসি স্কেল অনুযায়ী। পশ্চিমবঙ্গ বা ভারতের বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রেডিং আলাদা, তাই সেখানকার শিক্ষার্থীরা শুধু মোট নম্বর ও শতকরা হার ব্যবহার করুন এবং গ্রেড নিজের বোর্ডের নিয়মে মিলিয়ে নিন।
ফলাফল আনুমানিক ধারণার জন্য। চূড়ান্ত ফল ও গ্রেড সংশ্লিষ্ট শিক্ষাবোর্ড বা প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত নিয়ম অনুযায়ী হবে।