লেটারহেড জেনারেটর (Letterhead Generator)

লোগো ও প্রতিষ্ঠানের তথ্য দিয়ে মিনিটে A4 লেটারহেড বানান। চিঠি লিখুন বা ফাঁকা প্যাড করুন, তারপর এক ক্লিকে পিডিএফ।

হেডারের স্টাইল

প্রিন্ট

রং

প্রতিষ্ঠান

চিঠি

নতুন অনুচ্ছেদের জন্য একটি ফাঁকা লাইন রাখুন।

লাইভ A4 প্রিভিউ, প্রিন্টে হুবহু এমন আসবে

প্রিন্ট ডায়ালগে গন্তব্য "PDF হিসেবে সেভ করুন", কাগজ A4 ও মার্জিন "কিছু নয়" বাছুন।

লেটারহেড জেনারেটর কী?

লেটারহেড হলো প্রতিষ্ঠানের নাম, লোগো, ঠিকানা ও যোগাযোগের তথ্যসহ চিঠির কাগজ। এই টুলে তথ্য লিখলেই ডান পাশে A4 আকারের লেটারহেড তৈরি হয়ে যায়। চাইলে তার উপর চিঠিও লিখে পিডিএফ করা যায়, আবার ফাঁকা প্যাড হিসেবেও প্রিন্ট করা যায়। ছোট দোকান, ফার্মেসি, ব্যবসা, এনজিও বা ফ্রিল্যান্সারদের জন্য এটি সহজ সমাধান।

তিন ধরনের হেডার স্টাইল

কীভাবে ব্যবহার করবেন

  1. হেডারের স্টাইল ও রং বাছুন।
  2. প্রতিষ্ঠানের নাম, ট্যাগলাইন, ঠিকানা, ফোন, ইমেইল ও ওয়েবসাইট লিখুন। ট্রেড লাইসেন্স বা বিআইএন ফুটারে বসবে।
  3. লোগো আপলোড করুন। চাইলে হালকা ওয়াটারমার্কও দিন।
  4. "চিঠিসহ" মোডে নমুনা বেছে বা নিজে চিঠি লিখুন, অথবা "ফাঁকা প্যাড" মোডে শুধু হেডার-ফুটার রাখুন।
  5. "পিডিএফ হিসেবে সেভ করুন" বাটনে ক্লিক করে প্রিন্ট ডায়ালগ থেকে পিডিএফ করে নিন।

পিডিএফ ও প্রিন্টের টিপস

ভালো লেটারহেডের কিছু নিয়ম

তথ্যের গোপনীয়তা

সব কাজ আপনার ব্রাউজারেই হয়। লোগো বা চিঠির লেখা কোনো সার্ভারে যায় না। শুধু প্রতিষ্ঠানের তথ্য ও লোগো পরেরবার আবার না লেখার সুবিধার জন্য আপনার নিজের ব্রাউজারে জমা থাকে। "রিসেট" দিলে সেটাও মুছে যায়।

বাংলাদেশ ও কলকাতা-পশ্চিমবঙ্গের ব্যবহারকারীদের জন্য

বাংলা বা ইংরেজি দুই ভাষাতেই লেখা যায়। তারিখ ও লেবেলের ভাষা বাংলা বাছলে "তারিখ", "স্মারক নং" ও "বিষয়" বাংলায় আসে। বাংলাদেশে ব্যাংক বা সরকারি অফিসে চিঠির জন্য ট্রেড লাইসেন্স বা বিআইএন ফুটারে দেওয়া সুবিধাজনক। কলকাতা-পশ্চিমবঙ্গে জিএসটিআইএন বা অন্য নম্বর ওই ঘরে লিখে নিতে পারেন।

নমুনা চিঠিগুলো শুধু ধারণার জন্য। আইনি বা আর্থিক গুরুত্বপূর্ণ চিঠির ক্ষেত্রে বিষয়বস্তু নিজে যাচাই করে নিন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

লেটারহেড কী এবং কেন দরকার?
লেটারহেড হলো প্রতিষ্ঠানের নাম, লোগো ও যোগাযোগের তথ্যসহ ছাপা চিঠির কাগজ। এটি চিঠি, কোটেশন, ব্যাংকে আবেদন ও সরকারি দপ্তরে যোগাযোগকে পেশাদার ও বিশ্বাসযোগ্য করে।
লেটারহেড কীভাবে বানাব?
প্রতিষ্ঠানের নাম, ঠিকানা ও ফোন লিখুন, চাইলে লোগো আপলোড করুন, হেডারের স্টাইল ও রং বাছুন। ডান পাশের প্রিভিউ নিজে বদলে যাবে। শেষে "পিডিএফ হিসেবে সেভ করুন" বাটনে ক্লিক করুন।
"চিঠিসহ" আর "ফাঁকা প্যাড" এর পার্থক্য কী?
"চিঠিসহ" মোডে তারিখ, প্রাপক, বিষয় ও চিঠির লেখাসহ পাতা তৈরি হয়। "ফাঁকা প্যাড" মোডে শুধু হেডার ও ফুটার থাকে, মাঝখান ফাঁকা। এটি প্রিন্ট করে হাতে বা অন্য সফটওয়্যারে লেখার জন্য ভালো।
পিডিএফ কীভাবে সেভ করব?
বাটনে ক্লিক করলে প্রিন্ট ডায়ালগ খুলবে। সেখানে গন্তব্য হিসেবে "PDF হিসেবে সেভ করুন" (Save as PDF) বাছুন, কাগজ A4 ও মার্জিন "কিছু নয়" (None) রাখুন।
আমার তথ্য ও লোগো কি কোথাও জমা হয়?
না। সবকিছু আপনার ব্রাউজারেই হয়। প্রতিষ্ঠানের তথ্য ও লোগো পরেরবার সুবিধার জন্য শুধু আপনার নিজের ব্রাউজারে সংরক্ষিত থাকে, আমাদের সার্ভারে যায় না।
কোন ধরনের লোগো ভালো কাজ করে?
স্বচ্ছ পটভূমির PNG ফাইল সবচেয়ে ভালো। বড় ছবি দিলে টুল নিজে ছোট করে নেয়। রঙিন ব্যান্ড স্টাইলে লোগো সাদা বক্সে বসে, ফলে যেকোনো রঙের লোগো পড়া যায়।