লেটারহেড জেনারেটর কী?
লেটারহেড হলো প্রতিষ্ঠানের নাম, লোগো, ঠিকানা ও যোগাযোগের তথ্যসহ চিঠির কাগজ। এই টুলে তথ্য লিখলেই ডান পাশে A4 আকারের লেটারহেড তৈরি হয়ে যায়। চাইলে তার উপর চিঠিও লিখে পিডিএফ করা যায়, আবার ফাঁকা প্যাড হিসেবেও প্রিন্ট করা যায়। ছোট দোকান, ফার্মেসি, ব্যবসা, এনজিও বা ফ্রিল্যান্সারদের জন্য এটি সহজ সমাধান।
তিন ধরনের হেডার স্টাইল
- লোগো বাঁয়ে: বাঁয়ে লোগো ও নাম, ডানে ঠিকানা ও ফোন। সবচেয়ে প্রচলিত।
- মাঝে: লোগো ও নাম মাঝখানে, নিচে যোগাযোগের তথ্য। সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক ঢঙে মানায়।
- রঙিন ব্যান্ড: পুরো প্রস্থে রঙের ব্যান্ড, তাতে নাম ও তথ্য। আধুনিক ও চোখে পড়ার মতো।
কীভাবে ব্যবহার করবেন
- হেডারের স্টাইল ও রং বাছুন।
- প্রতিষ্ঠানের নাম, ট্যাগলাইন, ঠিকানা, ফোন, ইমেইল ও ওয়েবসাইট লিখুন। ট্রেড লাইসেন্স বা বিআইএন ফুটারে বসবে।
- লোগো আপলোড করুন। চাইলে হালকা ওয়াটারমার্কও দিন।
- "চিঠিসহ" মোডে নমুনা বেছে বা নিজে চিঠি লিখুন, অথবা "ফাঁকা প্যাড" মোডে শুধু হেডার-ফুটার রাখুন।
- "পিডিএফ হিসেবে সেভ করুন" বাটনে ক্লিক করে প্রিন্ট ডায়ালগ থেকে পিডিএফ করে নিন।
পিডিএফ ও প্রিন্টের টিপস
- কাগজের মাপ A4 এবং স্কেল ১০০% রাখুন।
- মার্জিন "কিছু নয়" (None) বাছুন, না হলে হেডার বা ব্যান্ড কেটে যেতে পারে।
- রঙিন ব্যান্ড ঠিকমতো ছাপাতে প্রিন্ট ডায়ালগে "ব্যাকগ্রাউন্ড গ্রাফিক্স" চালু থাকলে নিশ্চিন্ত।
- ফাঁকা প্যাড একবার পিডিএফ করে রাখলে প্রেসে অনেক কপি ছাপানো যায়।
ভালো লেটারহেডের কিছু নিয়ম
- স্বচ্ছ পটভূমির PNG লোগো ব্যবহার করুন, তাতে সব রঙের পটভূমিতে ভালো দেখায়।
- ঠিকানা সংক্ষিপ্ত ও পরিষ্কার রাখুন এবং সঠিক ফোন নম্বর দিন।
- এক পৃষ্ঠায় না ধরলে লেখা ছোট করুন। টুল সতর্ক করে দেবে।
- বেশি রং না মিশিয়ে লোগোর সাথে মেলে এমন একটি রং বাছুন।
তথ্যের গোপনীয়তা
সব কাজ আপনার ব্রাউজারেই হয়। লোগো বা চিঠির লেখা কোনো সার্ভারে যায় না। শুধু প্রতিষ্ঠানের তথ্য ও লোগো পরেরবার আবার না লেখার সুবিধার জন্য আপনার নিজের ব্রাউজারে জমা থাকে। "রিসেট" দিলে সেটাও মুছে যায়।
বাংলাদেশ ও কলকাতা-পশ্চিমবঙ্গের ব্যবহারকারীদের জন্য
বাংলা বা ইংরেজি দুই ভাষাতেই লেখা যায়। তারিখ ও লেবেলের ভাষা বাংলা বাছলে "তারিখ", "স্মারক নং" ও "বিষয়" বাংলায় আসে। বাংলাদেশে ব্যাংক বা সরকারি অফিসে চিঠির জন্য ট্রেড লাইসেন্স বা বিআইএন ফুটারে দেওয়া সুবিধাজনক। কলকাতা-পশ্চিমবঙ্গে জিএসটিআইএন বা অন্য নম্বর ওই ঘরে লিখে নিতে পারেন।
নমুনা চিঠিগুলো শুধু ধারণার জন্য। আইনি বা আর্থিক গুরুত্বপূর্ণ চিঠির ক্ষেত্রে বিষয়বস্তু নিজে যাচাই করে নিন।