বাড়ি বা ফ্ল্যাটের দাম শুধু ডাউন পেমেন্ট নয়, মাসের পর মাস কিস্তি চালানোর সামর্থ্যের ওপরও নির্ভর করে। ব্যাংক সাধারণত দেখে আপনার মাসিক আয়ের কত শতাংশ সব ঋণের কিস্তিতে যাচ্ছে। এই অনুপাত বেশি হলে ঋণ পাওয়া কঠিন হয় এবং কিস্তি চালানোও ঝুঁকিপূর্ণ।
- সর্বোচ্চ কিস্তি = আয় × নির্ধারিত শতাংশ − বর্তমান ঋণের কিস্তি
- সর্বোচ্চ ঋণ = সর্বোচ্চ কিস্তি × (১ − (১ + মাসিক হার)^−মাস) ÷ মাসিক হার
- বাড়ির সম্ভাব্য দাম = সর্বোচ্চ ঋণ + ডাউন পেমেন্ট
মাসিক আয় ১,০০,০০০ টাকা, বর্তমান ঋণের কিস্তি ১০,০০০ টাকা, সীমা ৪০%, ৯% সুদ, ২০ বছর। সর্বোচ্চ মাসিক কিস্তি ৪০,০০০ − ১০,০০০ = ৩০,০০০ টাকা। এতে সর্বোচ্চ ঋণ প্রায় ৩৩,৩৪,৩৪৯ টাকা। ১০,০০,০০০ টাকা ডাউন পেমেন্ট ধরলে বাড়ির সম্ভাব্য দাম প্রায় ৪৩,৩৪,৩৪৯ টাকা।
অনেক আর্থিক উপদেষ্টা মোট ঋণের কিস্তি আয়ের ৩৫-৪০%-এর মধ্যে রাখতে বলেন। ব্যাংকের সীমা আলাদা হতে পারে। জরুরি খরচ ও সঞ্চয়ের জন্য জায়গা রাখতে এর চেয়ে কম ধরা নিরাপদ। নিচের টেবিলে ৩০ থেকে ৫০% সীমায় ফল পাশাপাশি দেখুন।
- মাসিক মোট আয় ও বর্তমান ঋণের মাসিক কিস্তি দিন।
- আয়ের কত শতাংশ কিস্তিতে যেতে দিতে চান তা বসান।
- ডাউন পেমেন্টের জন্য জমানো টাকা, সুদ ও মেয়াদ দিন।
- ডানে সর্বোচ্চ ঋণ ও বাড়ির সম্ভাব্য দাম এবং নিচে তুলনা দেখুন।
- রেজিস্ট্রেশন, স্ট্যাম্প ও অন্যান্য কেনার খরচ, সাধারণত দামের ওপর অতিরিক্ত লাগে।
- রক্ষণাবেক্ষণ, বিদ্যুৎ-পানির বিল ও আসবাবের খরচ।
- ব্যাংকের নিজস্ব যোগ্যতার শর্ত, ঋণ-মূল্য অনুপাত ও জামানত।
আয় থেকে ঋণের যোগ্যতা যাচাই চাইলে হোম লোন এলিজিবিলিটি চেকার ও ডাউন পেমেন্ট ক্যালকুলেটরও দেখুন।
এই টুলের ফল ধারণা পাওয়ার জন্য। ঋণ নেওয়ার আগে ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের চূড়ান্ত শর্ত, ফি ও সুদের হার নিজে যাচাই করুন, প্রয়োজনে আর্থিক উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলুন।