ফ্রিল্যান্স রেট ক্যালকুলেটর

মাসে কত হাতে চান, খরচ ও কর কত, আর কত ঘণ্টা বিল করতে পারবেন, তা দিয়ে ঘণ্টা, দিন ও প্রজেক্টের ন্যূনতম রেট বের করুন।

তথ্য দিন

৳
৳
%
ঘণ্টা
সপ্তাহ
ঘণ্টা
অ্যাডভান্সড সেটিংস
%
ঘণ্টা
ন্যূনতম ঘণ্টাপ্রতি রেট
৳ ০
দৈনিক রেট
প্রজেক্টের মূল্য
মাসিক ইনভয়েস লক্ষ্য
বার্ষিক আয় লক্ষ্য
  • হাতে থাকা নিট আয়
  • খরচ, কর ও বাফার

রেট কীভাবে এল

বিবরণপরিমাণ
ফ্রিল্যান্সারের রেট ঠিক করা কেন কঠিন?

চাকরিতে বেতন ঠিক থাকে, কিন্তু ফ্রিল্যান্সারকে নিজের ছুটি, অসুস্থতা, সফটওয়্যার, ইন্টারনেট, কর ও কাজ না থাকা সময়ের খরচ সবই রেটের মধ্যে ধরতে হয়। না ধরলে দেখতে ভালো রেটেও বছর শেষে হাতে কম টাকা থাকে।

সূত্র উদাহরণ

মাসে নিট ৫০,০০০ ও খরচ ১০,০০০ টাকা হলে বছরে লাগে ৭,২০,০০০ টাকা। ১০% কর ধরলে ৭,২০,০০০ ÷ ০.৯ = ৮,০০,০০০ টাকা। ১০% বাফার যোগ করলে ৮,৮০,০০০ টাকা। সপ্তাহে ২০ ঘণ্টা বিল করে বছরে ৪৬ সপ্তাহ কাজ করলে মোট ৯২০ ঘণ্টা। ঘণ্টাপ্রতি ন্যূনতম রেট ৮,৮০,০০০ ÷ ৯২০ = প্রায় ৯৫৭ টাকা। ৪০ ঘণ্টার প্রজেক্টের ন্যূনতম মূল্য প্রায় ৩৮,২৬১ টাকা।

সব ঘণ্টা কেন বিলযোগ্য নয়?

ফ্রিল্যান্সার সপ্তাহে ৪০ ঘণ্টা কাজ করলেও সব ঘণ্টায় ক্লায়েন্টকে বিল করতে পারেন না। ক্লায়েন্ট খোঁজা, প্রস্তাবনা লেখা, মিটিং, ইনভয়েস ও নতুন কিছু শেখার সময় বিল হয় না। সাধারণভাবে অনেকে সপ্তাহে ২০ থেকে ৩০ ঘণ্টা বিলযোগ্য ধরেন। আপনার বাস্তব অভ্যাস থেকে সংখ্যা বসান।

কীভাবে এই ক্যালকুলেটর ব্যবহার করবেন
  1. মুদ্রা বেছে নিন এবং মাসে নিট কত চান লিখুন।
  2. মাসিক খরচ ও আনুমানিক করের হার দিন। আপনার দেশের কর নিয়ম অনুযায়ী হার ঠিক করুন।
  3. সপ্তাহে কত ঘণ্টা বিল করতে পারেন এবং বছরে কত সপ্তাহ কাজ করবেন তা দিন।
  4. ডানে ন্যূনতম ঘণ্টা, দিন ও প্রজেক্ট রেট দেখুন।
রেট ঠিক করার কিছু পরামর্শ

এই টুলের ফলাফল ধারণা পাওয়ার জন্য। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা যোগ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যাচাই করুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ঘণ্টাপ্রতি রেট কীভাবে ঠিক করব?
বছরে নিট কত চান ও খরচ কত, সেই অঙ্ক করের হারে বাড়িয়ে নিয়ে বছরের বিলযোগ্য ঘণ্টা দিয়ে ভাগ করুন। এই টুল সেটাই করে।
সপ্তাহে কত ঘণ্টা বিলযোগ্য ধরব?
সাধারণত কাজের মোট সময়ের ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ বিলযোগ্য হয়। পূর্ণ সময়ে কাজ করলে সপ্তাহে ২০ থেকে ৩০ ঘণ্টা ধরা বাস্তবসম্মত।
কর কত ধরব?
এটি আপনার আয়, দেশ ও কর কাঠামোর ওপর নির্ভর করে। সঠিক হার জানতে হিসাবরক্ষক বা কর পরামর্শকের সাহায্য নিন। অনিশ্চিত হলে একটু বেশি ধরাই নিরাপদ।
বাফার কেন লাগে?
ক্লায়েন্ট দেরিতে টাকা দেওয়া, প্রজেক্ট বাতিল, অসুস্থতা বা কাজ না পাওয়া মাসের ঝুঁকি মেটাতে।
এই রেট কি দেশি ও বিদেশি ক্লায়েন্টের জন্য একই হবে?
না। বাজারভেদে ক্লায়েন্টের বাজেট আলাদা। এটি আপনার ন্যূনতম রেট, তার ওপর বাজার অনুযায়ী বেশি চাইতে পারেন।