ঋণের সুদ হিসাব হয় বকেয়া আসলের ওপর। বাড়তি টাকা সরাসরি আসলে জমা হলে বকেয়া কমে, তাই পরের মাস থেকে সুদও কম হয়। ছোট ছোট অতিরিক্ত পেমেন্ট লম্বা মেয়াদে কয়েক বছর ও লাখ টাকা পর্যন্ত বাঁচাতে পারে।
প্রতি মাসে সুদ = বকেয়া × মাসিক হার। কিস্তির সঙ্গে অতিরিক্ত অঙ্ক দিলে পুরোটা সুদ কেটে বাকিটা আসল কমায়। এই হিসাব মাস ধরে ঋণ শূন্য হওয়া পর্যন্ত চলে এবং অতিরিক্ত ছাড়া অবস্থার সঙ্গে তুলনা করা হয়।
১০,০০,০০০ টাকা ঋণ, ১০% সুদ, ১০ বছর। নিয়মিত কিস্তি প্রায় ১৩,২১৫ টাকা, মোট সুদ প্রায় ৫,৮৫,৮০৯ টাকা। প্রতি মাসে ২,০০০ টাকা অতিরিক্ত দিলে ঋণ ৯৬ মাসে (৮ বছরে) শেষ হয়, মোট সুদ প্রায় ৪,৫৪,৬৬৭ টাকা। অর্থাৎ ২৪ মাস আগে শেষ এবং প্রায় ১,৩১,১৪২ টাকা সুদ সাশ্রয়।
- ঋণের পরিমাণ, সুদ ও মূল মেয়াদ দিন।
- প্রতি মাসে কত অতিরিক্ত দিতে পারবেন লিখুন।
- বোনাস বা সঞ্চয় থেকে একবারে বড় অঙ্ক দিতে চাইলে অ্যাডভান্সড অংশে অঙ্ক ও কত মাস পরে দেবেন বসান।
- ডানে সাশ্রয় ও নতুন মেয়াদ এবং নিচে বছরভিত্তিক তুলনা দেখুন।
- ব্যাংকে আগাম পরিশোধ বা আংশিক পরিশোধের জরিমানা আছে কি না। এই হিসাবে তা ধরা নেই।
- অতিরিক্ত টাকা যেন আসল কমাতে যায়, পরের কিস্তি এগিয়ে নিতে নয়। ব্যাংককে লিখিত নিশ্চিত করুন।
- জরুরি তহবিল ছাড়া সব সঞ্চয় ঋণে ঢালবেন না।
- ঋণের সুদ বিনিয়োগের সম্ভাব্য রিটার্নের চেয়ে বেশি হলে আগে ঋণ শোধ করাই সাধারণত লাভজনক।
এই টুলের ফল ধারণা পাওয়ার জন্য। ঋণ নেওয়ার আগে ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের চূড়ান্ত শর্ত, ফি ও সুদের হার নিজে যাচাই করুন, প্রয়োজনে আর্থিক উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলুন।