জরুরি তহবিল ক্যালকুলেটর

মাসিক জরুরি খরচ থেকে হিসাব করুন বিপদের জন্য কত টাকা আলাদা রাখা দরকার এবং কত দিনে সেখানে পৌঁছাবেন।

তথ্য দিন

৳
৳
৳
৳
৳
মাস
অ্যাডভান্সড সেটিংস
৳
৳
%
প্রয়োজনীয় জরুরি তহবিল
৳ ০
মাসিক জরুরি খরচ
আরও জমাতে হবে
এখন কত মাস চলবে
লক্ষ্যে পৌঁছাতে
  • জমানো
  • বাকি

মাসের হিসাবে জরুরি তহবিল

কত মাসের খরচপ্রয়োজনীয় তহবিলজমা আছে কি

জরুরি তহবিল কী?

জরুরি তহবিল বা ইমার্জেন্সি ফান্ড হলো হঠাৎ চাকরি হারানো, অসুস্থতা, দুর্ঘটনা বা পরিবারের জরুরি প্রয়োজনের জন্য আলাদা করে রাখা টাকা। এটি বিনিয়োগ বা ঘোরাফেরার টাকা নয়। এর কাজ একটাই: বিপদের সময় ঋণ না করে বা সম্পদ কম দামে না বেচে পরিস্থিতি সামলানো।

কত টাকা রাখা উচিত?

সাধারণ নিয়ম হলো জরুরি মাসিক খরচের ৩ থেকে ৬ মাসের সমান টাকা। স্থায়ী চাকরিজীবীর জন্য ৩ থেকে ৬ মাস সাধারণত যথেষ্ট ধরা হয়। ব্যবসায়ী, ফ্রিল্যান্সার বা একজন আয়কারী সদস্যের পরিবারের জন্য ৯ থেকে ১২ মাস রাখা নিরাপদ। এখানে শুধু জরুরি খরচ ধরা হয়, যেমন ভাড়া, খাবার, বিল, ঋণের কিস্তি, চিকিৎসা ও শিক্ষা। বিনোদন বা শখের খরচ বাদ।

উদাহরণ

মাসিক জরুরি খরচ ৳ ৪৫,০০০ ধরে ৬ মাসের তহবিল হয় ৳ ২,৭০,০০০। ইতিমধ্যে ৳ ৫০,০০০ জমা থাকলে বাকি ৳ ২,২০,০০০ লাগবে। প্রতি মাসে ৳ ১০,০০০ জমালে ও ৫% বার্ষিক সুদ পেলে লক্ষ্যে পৌঁছাতে সময় লাগবে প্রায় ১ বছর ৯ মাস।

কীভাবে ব্যবহার করবেন

  1. মাসের জরুরি খরচগুলো ঘরে ঘরে লিখুন। মোট খরচ ডানে দেখাবে।
  2. কত মাসের খরচ রাখতে চান তা স্লাইডার বা বোতাম দিয়ে ঠিক করুন।
  3. অ্যাডভান্সড সেটিংসে এখন কত জমা আছে, মাসে কত জমাতে পারবেন ও সুদের হার দিন।
  4. লক্ষ্যে কত মাসে পৌঁছাবেন এবং ৩, ৬, ৯, ১২ মাসের তুলনা দেখুন।

জরুরি তহবিল কোথায় রাখবেন?

তহবিল গড়ার সহজ কৌশল

সাধারণ ভুল

বাংলাদেশ ও কলকাতা-পশ্চিমবঙ্গের ব্যবহারকারীদের জন্য

দুই জায়গাতেই বাসা ভাড়া, বাজার ও চিকিৎসা খরচ বড় অংশ নেয়, তাই নিজের শহরের খরচ ধরে হিসাব করুন। পর্দায় ৳ চিহ্ন থাকলেও কলকাতা-পশ্চিমবঙ্গের ব্যবহারকারীরা রুপির অঙ্ক বসিয়ে একই ফল পাবেন। সুদের হারের ঘরে নিজের ব্যাংকের সঞ্চয়ী বা এফডির হার দিন।

এই টুলের ফলাফল ধারণা পাওয়ার জন্য। বাস্তব হার, কর ও নিয়ম প্রতিষ্ঠানভেদে আলাদা, তাই সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক, ব্রোকার বা বিশেষজ্ঞের সাথে যাচাই করুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

জরুরি তহবিলে কত মাসের খরচ রাখা ভালো?
স্থায়ী চাকরিতে সাধারণত ৩ থেকে ৬ মাস। আয় অনিয়মিত হলে বা একজন আয়কারী থাকলে ৯ থেকে ১২ মাস রাখা নিরাপদ।
কোন কোন খরচ ধরব?
শুধু জরুরি খরচ, যেমন ভাড়া, খাবার, বিল, ঋণের কিস্তি, চিকিৎসা ও শিক্ষা। বিনোদন ও শখের খরচ ধরবেন না।
জরুরি তহবিল কি বিনিয়োগ করা যায়?
পুরোটা নয়। ঝুঁকিহীন ও সহজে তোলা যায় এমন জায়গায় রাখাই ভালো, যেমন সঞ্চয়ী হিসাব বা স্বল্পমেয়াদি আমানত।
সুদের হার না দিলে কী হবে?
সুদ ০ ধরে শুধু মাসিক জমার ভিত্তিতে হিসাব হবে। তহবিল গড়তে সময় একটু বেশি দেখাবে।
এই ক্যালকুলেটর কি ফ্রি?
হ্যাঁ, সম্পূর্ণ ফ্রি। আপনার দেওয়া তথ্য সার্ভারে পাঠানো বা সংরক্ষণ করা হয় না।