ভারতে বিদ্যুতের খুচরা দর ঠিক করে প্রতিটি রাজ্যের নিয়ামক কমিশন। তাই একই ইউনিটে দিল্লি, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু বা পশ্চিমবঙ্গে বিল আলাদা আসে। এমনকি একই রাজ্যে ডিসকম আলাদা হলে দরও আলাদা হতে পারে। যেমন কলকাতা ও আশপাশে সিইএসসি এবং রাজ্যের বাকি অংশে ডব্লিউবিএসইডিসিএল। কমিশনের নতুন আদেশে দর বছরে বদলাতে পারে, তাই এখানে কোনো রাজ্যের দর ধরে বসানো নেই।
- সাম্প্রতিক বিলের পিছনে বা ডিসকমের অ্যাপে ট্যারিফের তালিকা থাকে।
- ডিসকম বা রাজ্য নিয়ামক কমিশনের ওয়েবসাইটে ট্যারিফ আদেশ দেখা যায়।
- গৃহস্থালি (ডোমেস্টিক) শ্রেণির স্ল্যাব নিন।
বেশিরভাগ ডিসকমে ধাপে ধাপে (টেলিস্কোপিক) হিসাব চলে। প্রথম স্ল্যাবের ইউনিট কম দরে, পরের ইউনিট বেশি দরে ধরা হয়। এর সঙ্গে যোগ হয় ফিক্সড বা মিটার চার্জ, জ্বালানি ও ক্রয়মূল্য সমন্বয় সারচার্জ এবং কিছু রাজ্যে ইলেকট্রিসিটি ডিউটি। ডিউটি সাধারণত এনার্জি, ফিক্সড ও সারচার্জের যোগফলের ওপর শতাংশে বসে।
২৫০ ইউনিটে প্রথম ১০০ ইউনিট ₹৫ দরে ₹৫০০, পরের ১০০ ইউনিট ₹৬ দরে ₹৬০০ এবং শেষ ৫০ ইউনিট ₹৭ দরে ₹৩৫০ হয়। এনার্জি চার্জ ₹১,৪৫০। ₹৫০ ফিক্সড চার্জ যোগ করলে বিল ₹১,৫০০। এই দরগুলো উদাহরণ মাত্র, আপনার ডিসকমের দর আলাদা হবে।
- ব্যবহৃত ইউনিট লিখুন।
- নিজের বিল দেখে প্রতিটি স্ল্যাবের সীমা ও দর বসান।
- ফিক্সড চার্জ, সারচার্জ ও ডিউটি থাকলে "ফিক্সড চার্জ, সারচার্জ ও ডিউটি" অংশে দিন।
- বিল দুই বা তিন মাসের হলে ওই সময়ের মোট ইউনিট এবং সেই সময়ের স্ল্যাব সীমা বসান।
- স্ল্যাবের সীমা পার হওয়ার আগে ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করুন, কারণ উঁচু স্ল্যাবের দর বেশি।
- স্টার রেটিংযুক্ত এসি, ফ্রিজ ও এলইডি বাতি ব্যবহার করুন।
- ওয়াটার হিটার ও ইস্ত্রি দীর্ঘক্ষণ চালু রাখবেন না।
বাংলায় সহজে হিসাব করতে এই টুল ব্যবহার করুন। শুধু নিজের ডিসকমের (সিইএসসি বা ডব্লিউবিএসইডিসিএল) বর্তমান ডোমেস্টিক স্ল্যাব বিল দেখে বসাতে ভুলবেন না।
এই টুলের ফলাফল ধারণা পাওয়ার জন্য। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা যোগ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যাচাই করুন।