আবাসিক বিলে তিনটি অংশ থাকে: ব্যবহৃত ইউনিটের এনার্জি চার্জ, অনুমোদিত লোড অনুযায়ী ডিমান্ড চার্জ এবং এর ওপর ৫% ভ্যাট। এনার্জি চার্জ ধাপে ধাপে হিসাব হয়, অর্থাৎ প্রথম ধাপের ইউনিট কম দরে আর পরের ধাপের ইউনিট বেশি দরে ধরা হয়। সূত্র: বিল = (এনার্জি চার্জ + ডিমান্ড চার্জ) × (১ + ভ্যাট) + মিটার ভাড়া।
- লাইফলাইন, মাসে ৫০ ইউনিট বা কম: ৪.৬৩ টাকা
- ১ম ধাপ, ১–৭৫ ইউনিট: ৫.২৬ টাকা
- ২য় ধাপ, ৭৬–২০০ ইউনিট: ৮.৫০ টাকা
- ৩য় ধাপ, ২০১–৩০০ ইউনিট: ৯.১০ টাকা
- ৪র্থ ধাপ, ৩০১–৪০০ ইউনিট: ৯.৬২ টাকা
- ৫ম ধাপ, ৪০১–৬০০ ইউনিট: ১৫.০১ টাকা
- ৬ষ্ঠ ধাপ, ৬০০ ইউনিটের বেশি: ১৭.৩৫ টাকা
বিইআরসি এই দর নির্ধারণ করে এবং সব বিদ্যুৎ বিতরণ প্রতিষ্ঠানের জন্য একই। আবাসিক ডিমান্ড চার্জ প্রতি কিলোওয়াটে ৪২ টাকা।
মাসে মোট ব্যবহার ৫০ ইউনিট বা তার কম হলে সব ইউনিটই ৪.৬৩ টাকা দরে ধরা হয়। ৫১ ইউনিট হলেই লাইফলাইন দর বাদ যায় এবং ধাপ অনুযায়ী দর বসে, তাই বিল হঠাৎ কিছুটা লাফ দেয়।
প্রথম ৭৫ ইউনিট × ৫.২৬ = ৩৯৪.৫০ টাকা। পরের ১২৫ ইউনিট × ৮.৫০ = ১,০৬২.৫০ টাকা। এনার্জি চার্জ ১,৪৫৭ টাকা। ১ কিলোওয়াট লোডের ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা যোগ করলে ১,৪৯৯ টাকা। ৫% ভ্যাট ৭৪.৯৫ টাকা। মোট বিল প্রায় ১,৫৭৩.৯৫ টাকা।
- মিটারের শেষ মাসের ইউনিট ব্যবহার লিখুন।
- অ্যাডভান্সড সেটিংসে নিজের অনুমোদিত লোড (কিলোওয়াট) দিন।
- মিটার ভাড়া বিলে থাকলে সেটিও বসান।
- ডানে মোট বিল ও ধাপভিত্তিক হিসাব দেখুন।
- ৪০০ ইউনিট পার হলে প্রতি ইউনিটের দর অনেক বেড়ে যায়, তাই এসি ও হিটারের ব্যবহার সীমার মধ্যে রাখুন।
- এলইডি বাতি, ইনভার্টার এসি ও কম ওয়াটের ফ্যান ব্যবহার করুন।
- ব্যবহার না হলে প্লাগ খুলে রাখুন, স্ট্যান্ডবাই লোডও ইউনিট খায়।
- ফ্রিজের দরজা কম খুলুন এবং এসির তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রির আশপাশে রাখুন।
বিদ্যুতের দর সরকার বা বিইআরসি আগামীতে বদলাতে পারে। প্রিপেইড ও পোস্টপেইড মিটারে ডিমান্ড চার্জ বা মিটার ভাড়ার নিয়ম ভিন্ন হতে পারে, বকেয়া বা বিলম্ব ফি থাকলে তা আলাদা যোগ হয়। তাই আপনার প্রকৃত বিলের সাথে মিলিয়ে নিন।
এই টুলের ফলাফল ধারণা পাওয়ার জন্য। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা যোগ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যাচাই করুন।