ডাউন পেমেন্ট হলো বাড়ি বা ফ্ল্যাট কেনার সময় নিজের পকেট থেকে আগাম দেওয়া অংশ। বাকি অংশ ব্যাংক ঋণ দেয়। ডাউন পেমেন্ট যত বেশি, ঋণ তত কম, মাসিক কিস্তি ও মোট সুদও তত কম।
- ডাউন পেমেন্ট = দাম × ডাউন পেমেন্টের শতাংশ
- ঋণ = দাম − ডাউন পেমেন্ট
- মাসিক কিস্তি = ঋণ × মাসিক হার × (১ + মাসিক হার)^মাস ÷ ((১ + মাসিক হার)^মাস − ১)
- জমাতে মাস = (প্রয়োজনীয় টাকা − জমানো) ÷ মাসিক জমা
৫০,০০,০০০ টাকার ফ্ল্যাটে ২০% ডাউন পেমেন্ট ১০,০০,০০০ টাকা। ঋণ ৪০,০০,০০০ টাকা। ৯% সুদ ও ২০ বছরে কিস্তি প্রায় ৩৫,৯৮৯ টাকা, মোট সুদ প্রায় ৪৬,৩৭,৩৬৯ টাকা। ডাউন পেমেন্ট ১০% হলে কিস্তি প্রায় ৪০,৪৮৮ ও সুদ প্রায় ৫২,১৭,০৪০ টাকা। ৩০% হলে কিস্তি প্রায় ৩১,৪৯০ ও সুদ প্রায় ৪০,৫৭,৬৯৮ টাকা। ২,০০,০০০ টাকা জমা থাকলে বাকি ৮,০০,০০০ টাকা মাসে ২০,০০০ করে জমালে ৪০ মাস লাগে।
ব্যাংকভেদে ন্যূনতম ডাউন পেমেন্ট আলাদা, আপনার ব্যাংকের শর্ত জেনে নিন। বেশি ডাউন পেমেন্ট মানে কম সুদ ও কম ঝুঁকি, কিন্তু পুরো সঞ্চয় ঢেলে দিলে জরুরি অবস্থায় টাকা থাকে না। জরুরি তহবিল ও রেজিস্ট্রেশন খরচ আলাদা রেখে ডাউন পেমেন্ট ঠিক করুন।
- বাড়ি বা ফ্ল্যাটের দাম দিন।
- ডাউন পেমেন্ট শতাংশে না টাকায় দেবেন তা বেছে নিন।
- সুদ ও মেয়াদ দিন।
- অ্যাডভান্সড অংশে জমানো টাকা, মাসিক জমা ও রেজিস্ট্রেশন খরচের শতাংশ দিলে জমানোর সময় দেখতে পাবেন।
- মাসের শুরুতেই নির্দিষ্ট অঙ্ক আলাদা অ্যাকাউন্টে সরান।
- ডিপিএস বা এফডিআরের মতো নিরাপদ জায়গায় রাখুন।
- বোনাস ও অতিরিক্ত আয় ডাউন পেমেন্ট তহবিলে দিন।
এই টুলের ফল ধারণা পাওয়ার জন্য। ঋণ নেওয়ার আগে ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের চূড়ান্ত শর্ত, ফি ও সুদের হার নিজে যাচাই করুন, প্রয়োজনে আর্থিক উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলুন।