দিনমজুর, নির্মাণ শ্রমিক, পোশাক কারখানার কিছু কর্মী ও ছোট ব্যবসার কর্মচারীদের অনেকেই দৈনিক মজুরিতে কাজ করেন। আবার মাসিক বেতনের চাকরিতে ছুটি কাটা বা নতুন চাকরির দর কষাকষির সময় দৈনিক মজুরি বের করার দরকার হয়। এই টুল দুই দিকেই হিসাব করে।
- মাসিক আয় = দৈনিক মজুরি × কাজের দিন + ভাতা
- দৈনিক মজুরি = মাসিক বেতন ÷ ভাগের দিন (২৬, ৩০ বা ২২)
- ঘণ্টাপ্রতি মজুরি = দৈনিক মজুরি ÷ দৈনিক কাজের ঘণ্টা
- অনুপস্থিতির কর্তন = দৈনিক মজুরি × অনুপস্থিত দিন
দৈনিক মজুরি ৮০০ টাকা এবং মাসে ২৬ দিন কাজ হলে মাসিক আয় ২০,৮০০ টাকা। বছরে ১২ মাস ধরলে আনুমানিক ২,৪৯,৬০০ টাকা। ৮ ঘণ্টার দিনে ঘণ্টাপ্রতি মজুরি ১০০ টাকা।
মাসিক বেতন ৩০,০০০ টাকাকে ২৬ দিয়ে ভাগ করলে দৈনিক মজুরি প্রায় ১,১৫৩.৮৫ টাকা। ৩০ দিয়ে ভাগ করলে ১,০০০ টাকা।
এর কোনো একটাই নিয়ম নেই। অনেক প্রতিষ্ঠান সপ্তাহে একদিন ছুটি ধরে ২৬ দিনে ভাগ করে। ক্যালেন্ডার মাস ধরলে ৩০ দিন। সপ্তাহে পাঁচ দিনের অফিসে ২২ দিন ধরা হয়। চাকরির চুক্তি, প্রতিষ্ঠানের নীতি বা শ্রম আইনের নির্দেশনা অনুযায়ী ভাগের দিন ঠিক করুন।
- উপরে মুদ্রা ও কী হিসাব করবেন তা বেছে নিন।
- দৈনিক মজুরি ও কাজের দিন অথবা মাসিক বেতন ও ভাগের দিন দিন।
- অ্যাডভান্সড সেটিংসে কাজের ঘণ্টা ও অতিরিক্ত ভাতা বসান।
- ডানে মাসিক-বার্ষিক আয় ও ঘণ্টাপ্রতি মজুরি দেখুন।
- বৃষ্টি, উৎসব বা কাজের অভাবে দিন কমলে মাসিক আয় সরাসরি কমে যায়, তাই গড় দিন বাস্তবসম্মত রাখুন।
- ওভারটাইম বা বাড়তি ঘণ্টার মজুরি আলাদাভাবে হিসাব করুন। বাংলাদেশের জন্য ওভারটাইম ক্যালকুলেটর আছে।
- অসুস্থতা বা ছুটির দিনে মজুরি পাওয়া যাবে কি না তা চুক্তিতে নিশ্চিত করুন।
এই টুলের ফলাফল ধারণা পাওয়ার জন্য। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা যোগ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যাচাই করুন।