ক্রেডিট কার্ডের ন্যূনতম পেমেন্ট ছোট রাখা হয়, কিন্তু বাকি টাকার ওপর পুরো হারে সুদ চলতে থাকে। ফলে বকেয়া ধীরে ধীরে কমে এবং শোধ হতে বছরের পর বছর লাগে। শেষ পর্যন্ত সুদে যে টাকা যায় তা মূল বকেয়ার অর্ধেক বা তারও বেশি হয়ে যেতে পারে।
- ব্যালান্সের শতাংশ: প্রতি মাসের বকেয়ার একটি শতাংশ (যেমন ৫%), তবে একটি সর্বনিম্ন অঙ্কের নিচে নয়।
- সুদ + আসলের শতাংশ: চলতি মাসের সুদ আর আসলের ১% বা কিছু শতাংশ।
ব্যাংকভেদে নিয়ম আলাদা। আপনার কার্ড স্টেটমেন্টে ন্যূনতম পেমেন্ট কীভাবে ধরা হয় তা দেখে সঠিক নিয়ম বেছে নিন।
১,০০,০০০ টাকা বকেয়া, ২৪% বার্ষিক সুদ, ন্যূনতম পেমেন্ট ৫% (সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা)। প্রথম মাসে পেমেন্ট ৫,০০০ টাকা। শুধু ন্যূনতম দিলে শোধ হতে প্রায় ১০২ মাস, অর্থাৎ ৮ বছর ৬ মাস লাগে। মোট সুদ দাঁড়ায় প্রায় ৬২,৮৯৮ টাকা, মোট পরিশোধ প্রায় ১,৬২,৮৯৮ টাকা। এই বকেয়া মাসে ৬,০০০ টাকা করে দিলে ২১ মাসে শোধ হয়, সুদ প্রায় ২২,৮৬৭ টাকা এবং প্রায় ৪০,০৩১ টাকা বাঁচে।
- ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া ও বার্ষিক সুদ (APR) দিন।
- ন্যূনতম পেমেন্টের নিয়ম ও শতাংশ বেছে নিন, সর্বনিম্ন অঙ্ক বসান।
- নির্দিষ্ট অঙ্কের সঙ্গে তুলনা করতে অ্যাডভান্সড অংশে মাসিক পেমেন্ট দিন।
- ডানে সময়, মোট সুদ ও নিচে বছরভিত্তিক টেবিল দেখুন।
- সম্ভব হলে ন্যূনতমের চেয়ে অনেক বেশি দিন, আদর্শভাবে পুরো স্টেটমেন্ট ব্যালান্স।
- বকেয়া থাকাকালীন কার্ডে নতুন কেনাকাটা এড়ান।
- একাধিক কার্ডে বকেয়া থাকলে সুদের হার বেশি কার্ড আগে শোধ করুন।
- কম সুদের ঋণ দিয়ে কার্ডের বকেয়া শোধ করার সুযোগ থাকলে ঋণ একীভূতকরণ ক্যালকুলেটরে তুলনা করুন।
এখানে নতুন কেনাকাটা, বার্ষিক ফি, বিলম্ব ফি বা বিনা-সুদের সময় ধরা নেই। প্রতি মাসে সুদ মাসিক হারে (বার্ষিক ÷ ১২) চক্রবৃদ্ধি হয় ধরা হয়েছে। প্রকৃত স্টেটমেন্টে দৈনিক হিসাবের কারণে সামান্য ফারাক থাকতে পারে।
এই টুলের ফল ধারণা পাওয়ার জন্য। ঋণ নেওয়ার আগে ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের চূড়ান্ত শর্ত, ফি ও সুদের হার নিজে যাচাই করুন, প্রয়োজনে আর্থিক উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলুন।