টার্গেট সিজিপিএ ক্যালকুলেটর (CGPA Target Calculator)

কাঙ্ক্ষিত সিজিপিএ অর্জনে অবশিষ্ট ক্রেডিটগুলোতে গড়ে ন্যূনতম কত জিপিএ প্রয়োজন তা যাচাই করুন।

তথ্য দিন

স্কেলের মধ্যে এখন পর্যন্ত অর্জিত সিজিপিএ

যত ক্রেডিটের ফলাফল ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে

ডিগ্রি সম্পন্ন করতে আর যত ক্রেডিট বাকি আছে

যে সিজিপিএ নিয়ে ডিগ্রি শেষ করতে চান

ক্লাস ও ডিস্টিংশনের সংজ্ঞা বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে আলাদা হতে পারে। নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম দেখে নিন।

বাকি ক্রেডিটে প্রয়োজনীয় গড় GPA
০
ডিগ্রির সর্বমোট ক্রেডিট
সর্বোচ্চ সম্ভাব্য সিজিপিএ
অগ্রগতি
বর্তমান থেকে বাড়াতে হবে

হিসাবের ধাপ

বাকি ক্রেডিটে এত GPA পেলে চূড়ান্ত সিজিপিএ

বাকি ক্রেডিটে গড় GPAচূড়ান্ত সিজিপিএটার্গেটের তুলনায়

টার্গেট সিজিপিএ ক্যালকুলেটর কী?

অনেক শিক্ষার্থীর প্রশ্ন থাকে: "আমার এখন সিজিপিএ ৩.৪২। ডিগ্রি শেষ করার সময় ৩.৬০ পেতে হলে বাকি কোর্সগুলোতে গড়ে কত জিপিএ লাগবে?" এই ক্যালকুলেটর সেই প্রশ্নের উত্তর দেয়। বর্তমান সিজিপিএ, সম্পন্ন ও বাকি ক্রেডিট এবং কাঙ্ক্ষিত সিজিপিএ দিলেই টুল বলে দেয় বাকি ক্রেডিটে গড়ে কত জিপিএ প্রয়োজন, আর লক্ষ্যটি আদৌ সম্ভব কি না। লক্ষ্য অসম্ভব হলে সর্বোচ্চ কত সিজিপিএ পাওয়া যাবে তাও দেখায়।

হিসাবের সূত্র

সিজিপিএ হলো ক্রেডিট অনুযায়ী ভারযুক্ত গড়। তাই:

  1. মোট ক্রেডিট = সম্পন্ন ক্রেডিট + বাকি ক্রেডিট।
  2. প্রয়োজনীয় জিপিএ = (টার্গেট × মোট ক্রেডিট − বর্তমান সিজিপিএ × সম্পন্ন ক্রেডিট) ÷ বাকি ক্রেডিট।
  3. সর্বোচ্চ সম্ভাব্য সিজিপিএ = (বর্তমান সিজিপিএ × সম্পন্ন ক্রেডিট + স্কেলের সর্বোচ্চ মান × বাকি ক্রেডিট) ÷ মোট ক্রেডিট।
  4. প্রয়োজনীয় জিপিএ স্কেলের সর্বোচ্চ মানের চেয়ে বেশি হলে লক্ষ্যটি অসম্ভব।

উদাহরণ

বর্তমান সিজিপিএ ৩.৪২, সম্পন্ন ক্রেডিট ৯০ ও বাকি ক্রেডিট ৩০ হলে মোট ক্রেডিট ১২০। টার্গেট ৩.৬০ হলে প্রয়োজনীয় জিপিএ = (৩.৬০ × ১২০ − ৩.৪২ × ৯০) ÷ ৩০ = ১২৪.২ ÷ ৩০ = ৪.১৪, যা ৪.০০ স্কেলে অসম্ভব। বাকি সব কোর্সে ৪.০০ পেলেও সর্বোচ্চ সিজিপিএ হবে ৩.৫৬৫, অর্থাৎ দুই দশমিক স্থানে প্রায় ৩.৫৭। কিন্তু টার্গেট ৩.৫০ হলে প্রয়োজনীয় জিপিএ ৩.৭৪, যা সম্ভব।

কীভাবে ব্যবহার করবেন

  1. গ্রেডিং স্কেল বাছুন: ৪.০০, ৫.০০ বা ১০.০০।
  2. বর্তমান সিজিপিএ এবং এ পর্যন্ত সম্পন্ন ক্রেডিট লিখুন। সিজিপিএ কত তা না জানলে অনার্স বা ডিগ্রি সিজিপিএ ক্যালকুলেটরে হিসাব করে নিন।
  3. ডিগ্রি শেষ করতে আর কত ক্রেডিট বাকি তা দিন।
  4. কাঙ্ক্ষিত টার্গেট লিখুন বা দ্রুত টার্গেটের বোতাম চাপুন।
  5. ডানে প্রয়োজনীয় গড় জিপিএ ও সম্ভাব্যতা এবং নিচে হিসাবের ধাপ ও বিভিন্ন জিপিএর ফল দেখুন।

ফলাফল কীভাবে পড়বেন?

সিজিপিএ বাড়ানোর টিপস

সাধারণ ভুল

বাংলাদেশ ও কলকাতা-পশ্চিমবঙ্গের ব্যবহারকারীদের জন্য

বাংলাদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে সিজিপিএ ৪.০০ স্কেলে হিসাব হয়, আর স্কুল-কলেজ বোর্ডে (এসএসসি, এইচএসসি) জিপিএ ৫.০০ স্কেলে। কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রেডিটভিত্তিক ১০ পয়েন্ট সিজিপিএ চলে। তাই স্কেল ঘরে নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কেল বাছুন। ক্রেডিটের হিসাব ও জিপিএ রূপান্তরের নিয়ম বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে আলাদা হতে পারে।

সতর্কতা: এই টুল সাধারণ ক্রেডিট-ভারযুক্ত গড়ের সূত্রে হিসাব করে। আপনার বিশ্ববিদ্যালয় রিটেক, অসম্পূর্ণ কোর্স বা নন-ক্রেডিট কোর্স আলাদাভাবে ধরলে ফল সামান্য বদলাতে পারে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের অফিসের তথ্য দেখে নিন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

টার্গেট সিজিপিএ পেতে বাকি কোর্সে কত জিপিএ লাগবে তা কীভাবে বের করব?
বর্তমান সিজিপিএ, সম্পন্ন ক্রেডিট, বাকি ক্রেডিট ও টার্গেট দিন। টুল সূত্র (টার্গেট × মোট ক্রেডিট − বর্তমান সিজিপিএ × সম্পন্ন ক্রেডিট) ÷ বাকি ক্রেডিট দিয়ে প্রয়োজনীয় গড় জিপিএ বের করে দেবে।
প্রয়োজনীয় জিপিএ ৪.০০-এর বেশি এলে কী করব?
তার মানে এই টার্গেট ওই স্কেলে সম্ভব নয়। ফলাফলে দেখানো সর্বোচ্চ সম্ভাব্য সিজিপিএর কাছাকাছি নতুন বাস্তবসম্মত লক্ষ্য ঠিক করুন, অথবা রিটেক বা ইমপ্রুভমেন্টের সুযোগ থাকলে তা বিশ্ববিদ্যালয়ে জেনে নিন।
সেমিস্টারের সংখ্যা কি হিসাবে লাগে?
না। সিজিপিএ ক্রেডিটের ওজনে হিসাব হয়, তাই শুধু সম্পন্ন ও বাকি ক্রেডিট দরকার। বাকি সব সেমিস্টারে সমান জিপিএ পেলে সেটিই গড় জিপিএ।
এই টুল কি ১০ পয়েন্ট সিজিপিএ স্কেলেও চলে?
হ্যাঁ। গ্রেডিং স্কেল ঘর থেকে ৪.০০, ৫.০০ বা ১০.০০ বেছে নিন। টার্গেট ও সর্বোচ্চ সীমা সেই অনুযায়ী বদলে যাবে।
রিটেক করলে হিসাব কেমন হয়?
এই টুল রিটেকের ক্ষেত্রে আগের গ্রেড প্রতিস্থাপনের হিসাব করে না। আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের রিটেক বা ইমপ্রুভমেন্ট নিয়ম আলাদাভাবে জেনে নিন।