বিজনেস কার্ড মেকার

নাম, ব্যবসার তথ্য ও লোগো দিয়ে ভিজিটিং কার্ড বানান, কিউআর কোড যোগ করুন এবং এক শিটে ১০টি প্রিন্ট করুন।

কার্ডের তথ্য দিন

আপনার তথ্য

ব্যবসার তথ্য

লোগো না দিলে ব্যবসার নামের প্রথম অক্ষর দেখানো হবে।

কিউআর কোড ও পেছনের পাশ

প্রিভিউ

আসল মাপ ৩.৫ × ২ ইঞ্চি (৮৯ × ৫১ মিমি)। প্রিভিউতে বড় করে দেখানো হয়েছে।

সামনের পাশ

পেছনের পাশ

প্রিন্ট ডায়ালগে "Save as PDF" বেছে PDF করা যায়। স্কেল ১০০% (Actual size) রাখুন, "Background graphics" চালু করুন এবং কাগজ A4 বেছে নিন। আপনার তথ্য ও লোগো শুধু এই ব্রাউজারে থাকে, কোথাও আপলোড হয় না।

বিজনেস কার্ড মেকার কী?

এই টুলে আপনার নাম, পদবি, ফোন, ইমেইল, ব্যবসার নাম, ঠিকানা ও লোগো দিলে সঙ্গে সঙ্গে একটি পেশাদার ভিজিটিং কার্ডের প্রিভিউ তৈরি হয়। পাঁচটি ডিজাইন থেকে বেছে নিতে পারেন এবং কার্ডে ইংরেজি বা বাংলা লেবেল ও পছন্দের রং ব্যবহার করা যায়। কার্ডে একটি কিউআর কোড থাকে, যা ক্রেতার ফোনে স্ক্যান করলে আপনার নম্বর, নাম ও ইমেইল সরাসরি কন্টাক্টে সেভ হয়ে যায়। শেষে এক ক্লিকে A4 কাগজে ১০টি কার্ডের শিট প্রিন্ট বা PDF করা যায়।

পাঁচটি ডিজাইন

কীভাবে ব্যবহার করবেন

  1. ডিজাইন, কার্ডের ভাষা ও রং বাছুন।
  2. আপনার ও ব্যবসার তথ্য লিখুন। ঘর খালি রাখলে সেই লাইন কার্ডে আসবে না।
  3. লোগো থাকলে আপলোড করুন। স্বচ্ছ পটভূমির (PNG) লোগো সবচেয়ে ভালো দেখায়।
  4. কিউআর কোডে কী থাকবে তা ঠিক করুন।
  5. প্রিভিউ দেখে "১০টি কার্ডের শিট প্রিন্ট করুন" চাপুন।

কিউআর কোডের ধরন

প্রিন্টের টিপস

লোগো ও রং বাছাইয়ের পরামর্শ

লোগো ছবি হিসেবে ৩০০ পিক্সেলের বেশি চওড়া হলে পরিষ্কার ছাপা হয়। গাঢ় রং (নীল, সবুজ, গাঢ় লাল) সাদা লেখার সঙ্গে ভালো মানায়। খুব হালকা রং বেছে নিলে ব্যান্ড বা প্যানেলের সাদা লেখা পড়া কঠিন হবে। নিজের রং বাছতে রঙের ঘরের পাশের কালার বক্স ব্যবহার করুন।

গোপনীয়তা

এই টুল পুরোপুরি আপনার ব্রাউজারে চলে। আপনার নাম, ফোন, ইমেইল বা লোগো কোনো সার্ভারে যায় না। পরের বার খুললে সুবিধার জন্য তথ্য এই ব্রাউজারে সংরক্ষিত থাকে। "সব রিসেট" চাপলে মুছে যায়।

সাধারণ ভুল

বাংলাদেশ ও কলকাতা-পশ্চিমবঙ্গের ব্যবহারকারীদের জন্য

কার্ডে ইংরেজি বা বাংলা লেবেল বেছে নেওয়া যায়, আর আপনার লেখা নাম, পদবি ও ঠিকানা আপনি যে ভাষায় লিখবেন সেভাবেই আসবে। বাংলা লেখাও কার্ডে ও কিউআর কোডে কাজ করে। বাংলাদেশে মোবাইল নম্বর সাধারণত ০১ দিয়ে শুরু হয় এবং ভারতে ১০ অঙ্কের। হোয়াটসঅ্যাপ লিংকের জন্য দেশের কোডসহ (যেমন ৮৮০... বা ৯১...) লিখলে সবচেয়ে নির্ভুল হয়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ০ দিয়ে শুরু ১১ অঙ্কের নম্বর হলে টুল নিজে ৮৮ যোগ করে নেয়।

এই টুল দিয়ে তৈরি কার্ডের ফল আপনার প্রিন্টার, কাগজ ও ব্রাউজার সেটিংসের ওপর কিছুটা নির্ভর করে। বড় আকারে ছাপার আগে নমুনা প্রিন্ট দেখে নিন।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ভিজিটিং কার্ডের মাপ কত?
সবচেয়ে প্রচলিত মাপ ৩.৫ × ২ ইঞ্চি (প্রায় ৮৯ × ৫১ মিমি)। এই টুলের কার্ড ও প্রিন্ট শিট সেই মাপেই তৈরি।
এক শিটে কয়টি কার্ড প্রিন্ট হয়?
A4 কাগজে ২ কলাম ও ৫ সারিতে ১০টি কার্ড। পেছনের পাশ চাইলে দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় ১০টি পেছনের কার্ড আসে।
কিউআর কোড স্ক্যান করলে কী হয়?
আপনি যে ধরন বেছেছেন সেই অনুযায়ী। কন্টাক্ট সেভ বেছে থাকলে ফোনে নাম, নম্বর ও ইমেইল সেভ করার অপশন আসে। ছাপার আগে নিজের ফোনে একবার স্ক্যান করে দেখুন।
বাংলা নাম ও ঠিকানা কি কার্ডে লেখা যায়?
হ্যাঁ। আপনি যে ভাষায় লিখবেন কার্ডে সেটিই আসবে। কার্ডের ভাষা ঘর থেকে ফোন, ইমেইল, ওয়েবসাইটের লেবেল বাংলা বা ইংরেজি করা যায়।
আমার তথ্য কি কোথাও জমা হয়?
না। সবকিছু আপনার ব্রাউজারে হয়। তথ্য ও লোগো সুবিধার জন্য শুধু এই ব্রাউজারে সংরক্ষিত থাকে এবং "সব রিসেট" চাপলে মুছে যায়।
প্রিন্টে রং আসছে না কেন?
প্রিন্ট ডায়ালগে "Background graphics" বা "পটভূমির গ্রাফিক্স" অপশনটি চালু করুন। নইলে ব্রাউজার রঙিন ব্যাকগ্রাউন্ড ছাপে না।