ব্রেক-ইভেন পয়েন্ট হলো সেই বিক্রির পরিমাণ, যেখানে আয় আর মোট খরচ সমান হয়ে যায়, অর্থাৎ লাভও নেই, ক্ষতিও নেই। এর নিচে বিক্রি হলে ক্ষতি, ওপরে গেলে লাভ।
- স্থির খরচ: বিক্রি যাই হোক মাসে একই থাকে, যেমন দোকানভাড়া, কর্মচারীর বেতন, ইন্টারনেট, লোনের কিস্তি।
- পরিবর্তনশীল খরচ: প্রতিটি এককের সাথে বাড়ে, যেমন কাঁচামাল, প্যাকেজিং, ডেলিভারি ও কমিশন।
- কন্ট্রিবিউশন মার্জিন = বিক্রয়মূল্য − পরিবর্তনশীল খরচ (প্রতি একক)
- ব্রেক-ইভেন একক = স্থির খরচ ÷ কন্ট্রিবিউশন মার্জিন
- লক্ষ্য মুনাফার বিক্রি = (স্থির খরচ + লক্ষ্য মুনাফা) ÷ কন্ট্রিবিউশন মার্জিন
- নিরাপত্তা মার্জিন = (বর্তমান বিক্রি − ব্রেক-ইভেন) ÷ বর্তমান বিক্রি
মাসিক স্থির খরচ ১,০০,০০০ টাকা। একটি পণ্য ৫০০ টাকায় বিক্রি হয় এবং এর পরিবর্তনশীল খরচ ৩০০ টাকা। প্রতি এককে কন্ট্রিবিউশন ২০০ টাকা। ব্রেক-ইভেন ১,০০,০০০ ÷ ২০০ = ৫০০ একক, অর্থাৎ আয় ২,৫০,০০০ টাকা। মাসে ৫০,০০০ টাকা মুনাফা চাইলে বিক্রি করতে হবে ১,৫০,০০০ ÷ ২০০ = ৭৫০ একক। এখন ৬০০ একক বিক্রি হলে নিরাপত্তা মার্জিন প্রায় ১৬.৭%।
- মুদ্রা বেছে নিন এবং মাসিক স্থির খরচ লিখুন।
- পণ্যের বিক্রয়মূল্য ও প্রতি এককের পরিবর্তনশীল খরচ দিন।
- চাইলে বর্তমান বিক্রি ও লক্ষ্য মুনাফা বসান।
- ডানে ব্রেক-ইভেন একক, আয় ও নিচে বিক্রি অনুযায়ী লাভ-ক্ষতির টেবিল দেখুন।
- স্থির খরচ কমান, যেমন ভাড়া বা বাড়তি লোকবল পুনর্বিবেচনা।
- পরিবর্তনশীল খরচ কমান, যেমন বেশি পরিমাণে কিনে সরবরাহকারীর কাছ থেকে ভালো দাম নেওয়া।
- দাম সামান্য বাড়ান। কন্ট্রিবিউশন বাড়লে ব্রেক-ইভেন একক অনেক কমে যায়।
এই হিসাব এক পণ্যের জন্য। একাধিক পণ্য থাকলে গড় দাম ও গড় খরচ ধরুন। ছাড় বা সিজনাল বিক্রির কারণে বাস্তবে সংখ্যা বদলাতে পারে।
এই টুলের ফলাফল ধারণা পাওয়ার জন্য। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা যোগ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যাচাই করুন।